বাদাম নিয়ে যখন এপার বাংলা ওপার বাংলায় এতই মাতামাতি তখন না হয় আমার বাদামের কয়েকটি পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে নেই।
আমাদের দেশে চিনা, কাঠ ও কাজুবাদাম বেশি পাওয়া যায়। চিনা বাদাম সহজলভ্য হওয়াই আমরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারি।
বাদাম সব বয়সীদের জন্য বেশ উপকারী। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়,বাদাম হচ্ছে স্বাস্থ্য-ত্বকের বন্ধু। বাদামে উপস্থিত মনোস্যাচুরেটেড অ্যাসিড ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে ও ত্বকে উজ্জ্বলতা নিয়ে আসে।
হার্ট ভালো রাখে,হার্টের জন্য বাদাম খুবই উপকারী।
বাদামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং মিনারেল থাকে। যা হার্ট অ্যাটাক এবং হৃদযন্ত্রজনিত অন্যান্য সমস্যা কমিয়ে দেয়।বাদামে ট্রিপটোফ্যানও থাকে যা ডিপ্রেশন কমাতেও সাহায্য করে।
বাদামে প্রোটিন ভরপুর থাকে। যা দেহকোষ বাড়াতে সাহায্য করে। শিশুদের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাদামের ভূমিকা অনেকটাই এর মধ্যে দুধের গুণাগুণও থাকে অনেকটা। তাই কেউ যদি দুধ খেতে না পারেন সেক্ষেত্রে বাদাম বিকল্প হতে পারে।
বাদাম রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে সাহায্য করে। ভিটামিন ‘ই’ বাদামেও পাওয়া যায়। যা শীতে সর্দি-কাশির মত সমস্যা প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন বাদাম খেলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শরীর ভেতর থেকে শক্তিশালী হয়।
বাদাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও অনেকটা সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে হাড় গঠনে ও মাংসপেশি মজবুত রাখে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করে, ক্যানসার প্রতিরোধ ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। কাঁচা বাদামে থাকে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, কপার, ম্যাংগানিজসহ আরও অনেক উপকারী উপাদান। দেখা গেছে ২১ শতাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে বাদাম।
দৈনিক অবশ্যই অল্প পরিমাণে হলেও খেতে পারেন কাঁচা বাদাম। এমনকি ভাজা বাদামেও মিলবে উপকার।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.