প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ৩, ২০২৬, ৬:৩০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ১৫, ২০২৩, ৯:০৫ পি.এম
ফরিদপুর-১ আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মাঠে দেখা গেলেও দেখা যাচ্ছে না বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের

আব্দুল্লাহ আল মামুন ছাত্রলীগের সম্পাদক থাকা কালিন ২০০৭ সালে নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে গ্রেপ্তার হন এবং দীর্ঘদিন জেল খাটেন। মামলাটি পরবর্তীতে রাজনৈকি বিবেচনায় নিষ্পত্তি হয়। আব্দুল্লাহ আল মামুন এক আসনের সব শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে একটি পরিচিত মুখ। তার চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এদিকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ৪ জন। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংসদ শাহ মো. আবু জাফর, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের-সহ সভাপতি ও সাবেক সাংসদ খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখার ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ নিউটন মিয়া এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আজিজুল আকিল ডেভিড সিকদার। জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করবেন কামরুজ্জামান মৃধা। এই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে শাহাবুদ্দিন আহমেদ নিউটন মিয়াকে করোনাকালিন সময় দেখা গেছে অসহায় দরিদ্রদের বাড়িতে বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছায় দিতে। শীত কালিন সময় বিভিন্ন এলাকায় কম্বর বিতরণ করতে এবং নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে। দলের মনোনয়ন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার, ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান বলেন, আমি দল করি, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা মনোনয়নের ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেই সিদ্ধান্তই মাথা পেতে নেবো। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশে বিষয়ক উপকমিটির সদস্য, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমার পিতা আব্দুর রউফ মিয়া ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি সারা জীবন এই জনপদের মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। আমি আমার পিতা ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারন করে আজীবন এই জনপদের মানুষের সেবা করতে চাই। ফরিদপুর-১ আসন তথা বোয়ালমারী -আলফাডাঙ্গা-মধুখালী উপজেলার সাধারন মানুষের জন্য আমার সাধ্যের, সর্বোচ্চ টুকু করতে চাই, শুধু মনোনয়ন কেন্দ্রীক রাজনীতি নয়, লাগাতার সাধারন জনগন সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের পাশে আছি, আমৃত্যু থাকবো। জনগনই আমার শক্তি ও প্রাণ। তিনি আরো বলেন, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা মনোনয়নের ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত নেবেন আমি সেই সিদ্ধান্তই মাথা পেতে নেবো। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সাংসদ খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, এই প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনারের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে না। তবে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে আমি শতভাগ আশাবাদী যে আমি মনোনয়ন পাব। দলের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ মো. আবু জাফর সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনি (শাহ জাফর) শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। করোনাকালীন সময়েও দলের নেতাকর্মী তাকে পাশে পায়নি। এ জন্য আমি নিশ্চিত যে দল নির্বাচনে অংশ নিলে আমিই মনোনয়ন পাব।
প্রকাশক ও সম্পাদক : সুমন চক্রবর্তী
কলম কথা লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান
গভ: রেজি নং- কেএইসসি-২০৭৭/২০২১
[email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.