তিনি বলেছেন, ‘বৈশাখী ভাতা বেতনের সঙ্গে দেয়া হবে না। উৎসব ভাতা-বৈশাখী ভাতা আলাদাভাবেই দেয়া হয়। এপ্রিলের শুরু থেকে ১০ তারিখের মধ্যেই ভাতার টাকা দেয়া হবে। যেহেতু এখন অনলাইন সিস্টেম, এই ভাতার বিল প্রথমে সাবমিট করতে হবে।
বিল সাবমিট করার পর অ্যাকাউন্টস অফিস পাস করবে। পাস করলেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।
বিলটি এপ্রিলের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যেই দেয়া হবে। বৈশাখের আগেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই ভাতা পাবেন।’
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঘোষিত জাতীয় বেতন কাঠামোতে প্রথমবারের মতো বৈশাখী ভাতা চালু হয়। এটি কার্যকর ধরা হয়েছিল ওই বছরের ১ জুলাই থেকে। তখন থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন।
