ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস বলেছেন, শান্তি টিকিয়ে রাখা সবার দায়িত্ব এবং এক্ষেত্রে সবারই ভূমিকা রাখতে হবে।বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসে’ জাতিসংঘ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের করা সার্বজনীন ও এখনো প্রাসঙ্গিক উক্তি উদ্ধৃত করতে চায়। ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি অত্যন্ত জরুরি এবং তাহা সমগ্র বিশ্বের নর-নারীর গভীর আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ঘটাবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ শান্তির পক্ষে দৃঢ়ভাবে প্রচারণা চালিয়ে আসছে এবং এ দেশের এই প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে জাতিসংঘ পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সহিংসতা প্রতিরোধ জাতিসংঘ সনদের মূল বিষয়বস্তু।
গত ৪১ বছর ধরেই প্রতিবছর জাতিসংঘ শান্তির আদর্শকে তুলে ধরতে এবং সহিংসতাহীন একটি দিন কাটাতে উৎসাহিত করতে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালন করে আসছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বর্ণবাদ বন্ধ করো, শান্তি প্রতিষ্ঠা করো’। এই প্রতিপাদ্য আমাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে শান্তি বন্দুকের গর্জন থামানোর চেয়েও আরও বড় কিছু।
তিনি বলেন, শান্তিকে কখনও দানে পাওয়া বিষয় হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। শান্তি টিকিয়ে রাখতে ও সহিংসতা প্রতিরোধে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ প্রয়োজন। এটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। শান্তি টিকিয়ে রাখা সবার দায়িত্ব এবং এক্ষেত্রে সবারই ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ শান্তির পক্ষে দৃঢ়ভাবে প্রচারণা চালিয়ে আসছে এবং এ দেশের এই প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে জাতিসংঘ পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সহিংসতা প্রতিরোধ জাতিসংঘ সনদের মূল বিষয়বস্তু।
গত ৪১ বছর ধরেই প্রতিবছর জাতিসংঘ শান্তির আদর্শকে তুলে ধরতে এবং সহিংসতাহীন একটি দিন কাটাতে উৎসাহিত করতে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালন করে আসছে।এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বর্ণবাদ বন্ধ করো, শান্তি প্রতিষ্ঠা করো’। এই প্রতিপাদ্য আমাদের সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে শান্তি বন্দুকের গর্জন থামানোর চেয়েও আরও বড় কিছু।
তিনি বলেন, শান্তিকে কখনও দানে পাওয়া বিষয় হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। শান্তি টিকিয়ে রাখতে ও সহিংসতা প্রতিরোধে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ প্রয়োজন। এটা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। শান্তি টিকিয়ে রাখা সবার দায়িত্ব এবং এক্ষেত্রে সবারই ভূমিকা রাখতে হবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.