দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট হিসেবে পরিচিত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌরুট।

পদ্মা সেতু চালু হবার আগে যে ঘাটে থাকত তীব্র যানজট, ফেরির জন্য যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানে পদ্মা সেতু চালু হবার পর ঘাটের চিত্র পুরোটাই পাল্টে গেছে। ঘাট এলাকায় যানবাহনের নেই কোনো চাপ, নেই কোনো সিরিয়াল।

তাই ভোগান্তিও নেই ঘাট এলাকায়। ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এবার ঈদের আগে ও পরেও ঘাটে দুর্ভোগের আশঙ্কা নেই। যাত্রীরা স্বস্তিতেই তাদের ঈদযাত্রা শেষ করতে পারবে। তবে পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকায় এই রুটে বাড়তে পারে মোটরসাইকেলের চাপ।

জানা গেছে, ব্যস্ততম ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ফাঁকা। ঢাকাগামী দূরপাল্লার পরিবহন বাসও তেমন চোখে পড়ার মতো ছিল না। ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত যেখানে আগে গাড়ির সিরিয়াল থাকত সেখানে এখন কোনো সিরিয়াল নেই।

ঘাটে আসা যানবাহনগুলো সরাসরি উঠে পড়ছে ফেরিতে। ফেরিগুলোও অপেক্ষা করছে যানবাহনের জন্য। এছাড়াও ঘাটের হকারদের নেই কোনো হাকডাক। ঘাট কেন্দ্রিক অধিকাংশ হোটেলও বন্ধ রয়েছে কয়েকমাস ধরে। দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের চিত্র এখন এমনি।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালুর আগে দৌলতদিয়া ঘাটে দুর্ভোগ ছিল নিত্যসঙ্গী। ঈদের আগে ও পরে সেই দুর্ভোগ বেড়ে যেত কয়েকগুণ। দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে ঘাট পার হতে অপেক্ষা করতে হতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

তবে পদ্মা সেতু চালুর পর সে চিত্র পাল্টে গেছে পুরোটাই। এখন ঘাটগুলোতে গাড়ির অপেক্ষায় ফেরি বসে থাকে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি।

এখনও ঈদ যাত্রা শুরু হয়নি। তবে দুই তিন দিন পর থেকে হয়তো চাপ বাড়বে। যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য ২০টি ফেরি চালু থাকবে। পাশাপাশি ৩টি ঘাটের ৬টি পকেট চালু থাকবে।