জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইলঃ বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর বাস ও লরির সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও ৭জন। সংঘর্ষের ঘটনায় লরিতে আগুন লেগে যায় বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। পরে যানচলাচল বন্ধ হয়ে সেতুর দুইপাশেই ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

নিহতরা হলেন, নীলফামারি জেলার ডিমলা উপজেলার মজনু (৩৩) ও একই উপজেলার রমজান আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৪)। গতকাল শনিবার (১২ জুন) রাত তিনটার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর ১৯ নম্বর পিলারের কাছে উত্তরবঙ্গগামী লেনে এ ঘটনা ঘটে।

এতে লরিতে থাকা দুইজন আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। বঙ্গবন্ধু সেতুর ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম (টিসিআর) সূত্র জানায়, রাত তিনটার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর উত্তরবঙ্গগামী লেনে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহি বাস একটি লরিকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়।

এতে লরিটি উল্টে গিয়ে আগুন ধরে গেলে দুইজন আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হয় ৭জন। আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আগুনে পুড়ে যাওয়া দুইজনের মরদেহ সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতুপশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক আরিফুর রহমান জানান, দুর্ঘটনা কবলিত পরিবহণ দুটি উদ্ধারের পর সেতুর উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। এর আগে, সেতুর উপর গাড়িতে আগুন লাগায় সেতুর দুইপাশের মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

সকাল ৮টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতুপশ্চিম টোলপ্লাজা হতে কড্ডার মোড় পর্যন্ত মহাসড়কে একলেনে যানজট রয়েছে। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত ও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, রাতে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনার পর থেকেই মহাসড়কে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করছে।

সকালের পর কিছুটা গাড়ির চাপ কমেছে। ঢাকাগামী লেনে পরিবহনের চাপ বেশি রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানচলাচল স্বাভাবিক হবে।