মাগুরা প্রতিনিধিঃ মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার কালুকান্দীতে পরিত্যক্ত পুকুরে বস্তাবন্দি পা ও মাথাবিহীন আজিজুরের হত্যাকারীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং হারানো পা ও মাথাও উদ্ধার করেছে। ব্যবসায়িক লেনদেনের কারনে এই জঘন্য হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বস্তাবন্দি আজিজুর খুনের আটককৃত আসামির নাম মোঃ আশরাফ, মাগুরা সদরের চাউলিয়া ইউনিয়নের মালিকগ্রামে বাড়ি। তাকে আজ যশোরের শার্শা থেকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর তার স্বীকারোক্তিতে মাগুরা সদরের ঘোরানাছ- জগদল বি এন পির মোড় এলাকার একটি পরিত্যক্ত কালভার্টের ভিতর থেকে হারানো পা এবং পার্শ্ববর্তী পাট ক্ষেত থেকে মাথা উদ্ধার হয়েছে।ঘাতক আশরাফ ওষুধের দোকানদার। সে মাগুরা সদরের পারলা বেলতলায় ঔষধের ব্যবসা করত।
নিহত আজিজুর ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করত। ধারণা করা হচ্ছে ব্যবসায়িক লেনদেনের কারনে এই জঘন্য হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।

গত (৬ ই জুন) রবিবার মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার কালুকান্দিতে মতিয়ার মোল্লা নামের এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত পুকুরের পাড়ে লাশের অংশ পড়ে ছিল। ঐদিন সকালে স্থানীয় লোকজন রক্তমাখা বস্তা দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে বস্তার মধ্যে কালো পলিথিনে মোড়া অবস্থায় গলার নিচ থেকে মাজা পর্যন্ত দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে। পাশেই পরিত্যক্ত পুকুরের মধ্যে নাইলনের আরেকটি ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় একটি পা উদ্ধার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহের আরেকটি পা ও মাথা পাওয়া গিয়েছিল না।

পরনে থাকা প্যান্ট ও শার্ট এবং পিছনের দিকে মাজার উপর দাগ দেখে লাশটি শনাক্ত করেছিলেন নিহতের ছোট ভাই মোঃ হাবিবুর রহমান ও মামা মোঃ আমানুল্লাহ। হাবিবুর বলেন, তাঁর ভাই মাগুরায় একটি ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন।ঘটনার আগের দিন সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ ছিল।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় অবশেষে ক্লু লেস হত্যার আসামি ও লাশের অবশিষ্ট অংশ উদ্ধার হলো।