• এস এম তাজাম্মুল, মণিরামপুরঃ ‘সেবা না প্রহসন’ মণিরামপুর পৌরসভার ড্রেন এখন মশার কারখানা! যানজটে ধোয়াশা, বাজারে নেই মনিটরিং এমন শিরোনামে জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা দৈনিক কলম কথা সহ কয়েকটি স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে গত ২৭শে ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) মণিরামপুর পৌরসভার কার্যক্রমে সেবা ব্যাহত এবং তথ্য সম্বলিত সংবাদ প্রকাশের পরদিন ২৮শে ফেব্রুয়ারী শনিবার হতে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে। শুরু করেছে ময়লা আবর্জনায় আবদ্ধ সব ড্রেন পরিষ্কার, মশক নিধনে স্প্রে করতে দেখা গেছে, চলছে বাজার মনিটরিং।
  • ‎বাস্তবচিত্রের তথ্য সহকারে দৈনিক কলম কথাতে এসএম তাজাম্মুলের অনুসন্ধানী ঐ প্রতিবেদনে উঠে আসে, যশোরের মণিরামপুর পৌরসভা কর্তৃক সেবার নামে মানুষের সাথে প্রহসনের নাটকের করা হচ্ছে। পবিত্র রমজান মাসেও বিগতদিনের অবহেলার নেই কোন সুবাতাস। একের পর এক প্রকল্প হলেও নাগরিক সুবিধায় সেই ভোগান্তি, তবে পরিবর্তন হয়েছে পৌর বেষ্টনীর আর উন্নয়ন হয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থার।
  • ‎ঐ প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, মশার উপদ্রব্য হলেও পদক্ষেপ নাই, ড্রেনেজ ব্যাবস্থার তদারকি করেনা পৌরসভা, কর্তৃপক্ষের পক্ষ হতে যানজটের দুর্ভোগ দূরীকরণে নেই কোন পদক্ষেপ,ফুটপাত দখল ও যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ে নিশ্চুপ পৌরসভা ও পবিত্র রমজান উপলক্ষে বাড়তি মূল্যের ব্যাপারে নেই কোন বাজার মনিটরিং!
  • ‎এ সংবাদ প্রকাশে বিষয়গুলি গত শুক্রবার সকাল থেকেই জেলা শহর যশোর ও মণিরামপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। পত্রিকা হাতে যে পড়েছে সে, এমনকি চায়ের দোকানেও আলোচনায় মণিরামপুর পৌরসভার অসঙ্গতিপূর্ণ এহেন কর্মকান্ডে কর্তৃপক্ষের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে সচেতনমহল হতে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত।
  • ‎আলোচিত এ বিষয়টি আমলে নিয়ে পৌর নির্বাহী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন নিজ দায়িত্বে ধারাবাহিক ভাবে মশক নিধনে স্প্রে,ড্রেন পরিষ্কার, দখলদার উচ্ছেদ ও বাজার মনিটরিং করেছেন। পাশাপাশি যে কোন অসঙ্গতি দেখলে নির্বাহীকে অবগত করার অনুরোধ করেছেন।তার সাথে রমজান মাসব্যাপি ব্যাবসায়ী সিন্ডিকেটের ফায়দা যাতে কেউ নিতে না পারে তার জন্য বাজার মনিটরিং চলমান থাকবে বলে চলতি এ প্রতিবেদনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন।।