হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান'র ২৭০ তম জন্মবার্ষিকীর পালন করা হয়। ২০০৩ সাল থেকে আজকের এই দিনটি বিশ্বব্যাপী হ্যানিমেনের জন্মদিন ‘বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে ২০১৪ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে যাত্রা শুরু বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবসের এবং বিশ্ব হোমিওপ্যাথি আন্দোলনে যুক্ত হয় বাংলাদেশ।
আজ (১০ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাব ভিআইপি অডিটোরিয়ামে ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান-এর ২৭০ তম জন্মবার্ষিকী ও হোমিওপ্যাথি দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও কমিটি গঠন করা হয়।
বাংলাদেশ হেমিওপ্যাথিক মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএইচএমএ), ঠাকুরগাঁও জেলা শাখায় ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি ডাঃবেলাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ডাঃ এম.এ সাঈদকে নির্বাচিত করা হয় ।

এছাড়া বাকি সদস্যরা হলেন , সহ-সভাপতি,ডাঃ আব্দুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক,ডাঃ আবু সাঈদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক ডাঃমোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক, ডাঃরিপন, অর্থ সম্পাদক ডাঃ ইয়াছিন আলী,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
ডা. মো: আলমগীর হোসেন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ডা. মোঃ আব্দুল গফুর, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা. মো: শাহাজাহান আলী,
ডা. মো: আলী আকবার,স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক ডা. শুকদেব চন্দ্র দাস, সদস্য ডা. ধীমান চন্দ্র সিংহ,ডা. মির্জা আবু তাহের,ডা. সাদিকুন ইসনাস, আজিজুর রহমান + মামুন, সোহেল (মতিয়ার রহমান)।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ডা.আবু মো: খয়রুল কবির ও উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সদস্যরা হলেন- ডা. মো: হাফিজুর রহমান,ডা. মো: ইসরাফিল আহাম্মেদ,ডা. মো: কামাল হোসেন,ডা. মো: সোহরাব হোসেন
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন , হোমিওপ্যথি নিয়ে সবচেয়ে প্রচলিত ধারণা এটি ধীরে কাজ করে। এটি নিয়ে অনেকেই একটা কথা বলে থাকেন “যার নাই কোনো গতি সে খায় হোমিওপ্যাথি”। এই ধারণা থেকে বোঝা যায় মানুষ কখন হোমিওপ্যাথির কাছে যায়। একটা রোগী যখন সব চিকিৎসা শেষ করে আর কোনো উপায় খুঁজে পায় না, যখন সে স্টেরয়েড, এন্টিবায়েটিক ইত্যাদি খেয়ে নিজের রোগটি আর রোগের পর্যায়ে রাখে না, যখন সে নিজেই একটা মেডিসিনাল রোগে পরিণত হয় তখনই হোমিওপ্যাথ খোঁজে। কিন্তু এমতাবস্থায় হোমিওপ্যাথির তেমন কি বা করার থাকে। তবু অনেক ক্ষেত্রেই সফলতার সাথে এসব জটিলরোগীকে চিকিৎসা দিয়ে আসছে। কিন্তু এই রোগীরাই যদি রোগের প্রারম্ভে হোমিওপ্যাথির শরণাপন্ন হতেন তাহলে রোগটি অল্প সময়ে তুলনামূলক কম খরচে ভালো হয়ে যেত। বিভিন্ন রকম জটিল সমস্যা যা প্রচলিত চিকিৎসায় সার্জারি করতে হয় অথবা সারাজীবন ওষুধ খেতে হয় যেমন, টনসিলাইটিস, পলিপাস, বিভিন্ন ধরনের টিউমার এমনকি ব্রেন টিউমার, লিম্ফোমা, একজিমা, সোরিয়াসিস, এ্যাজমা, অষ্টিওআর্থাইটিস, হাড় বৃদ্ধি, হাড় ক্ষয় যাওয়া, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, বাতজ্বর, হার্ট, কিডনি, লিভারের জটিল সমস্যা ইত্যাদি। সে ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথরা যদি কয়েকবছরেও রোগীকে সুস্থ করতে সক্ষম হয় সেটিকে কি বেশি সময় লাগে বলা হবে? নাকি বলা হবে হোমিওপ্যাথি ধীরে কাজ করে? যেখানে প্রচলিত চিকিৎসাই ব্যর্থ।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. আবু মোঃ খয়রুল কবির, সভাপতি, বিএমএ, ঠাকুরগাঁও ও প্রধান উপদেষ্টা, বিএইচএমএ।
বিশেষ অতিথি: মোঃ রিফাত হোসেন, ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক, ঔষধ প্রশাসন, ঠাকুরগাঁও। ডাঃ হাফিজুর রহমান সহ আরো অনেকে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.