রাজশাহীর বাঘায় জমি দখলের নামে ছিনতাই ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে বাঘা উপজেলার তেপুকুরিয়া গ্রামের মৃত আনছার আলীর ছেলে বিপুল হোসেনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই জমির দুই জন মালিকানা দাবি করায় জটিলতা সৃষ্টি হলে উভয় পক্ষ কোর্টে মামলা দায়ের করেন যা এখনো চলমান।

এই জমির ক্রয়সুত্রে মালিক আজদার আলী। তিনি তেপুকুরিয়া এলাকার মৃত আনছার আলীর ছেলে এবং পৈত্রিক সুত্রে মালিকানা দাবি করেনএকই গ্রামের বিপুল হোসেন। এ জমিতে স্থাপনা হিসেবে দোকানসহ মার্কেট ছিলো।

ঘটনা সুত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাত ৮.০টার সময় বিপুল আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আজদার আলীর ঘর ভেঙ্গে টিন নিয়ে যায় বিপুল ও তার ছেলেসহ বহিরাগত আরও ৭-৮ জন। এ সময় আজদারের স্ত্রী বাঁধা দিতে গেলে ধ্বস্তাধস্তি এবং মারপিটের মতো ঘটনা ঘটে।

এসময় অভিযোগকারী আজদার আলীর পরিবার বলেন, সোমবার রাতের আধারে বহিরাগত ৭-৮ জনকে নিয়ে আমার বাড়িতে জোরপূর্বক ঢুকে পাকা ভবনের দক্ষিণ পাশের নতুন পাকা ঘরের ইট ও টিন ভেঙ্গে নিয়ে যায়। বিষয়টি বাঘা থানাকে অবহিত করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের কাগজপত্র নিয়ে থানায় হাজির হতে বলেন।

আজদার আলী আরও বলেন,বিপুল ও তাঁদের সহযোগীরা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে শোকেসের কাচ ভেঙ্গে ২লক্ষ টাকা এবং ১ভরি স্বর্না অলংকার নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়৷ এই সময় বাড়িতে আমার তিন মেয়ে মা এবং আমার স্ত্রী ছাড়া কেউ ছিলোনা। বাড়ি থেকে বের হয়ে আমার স্ত্রী দেখতে পান তারা নতুন পাকা ঘর ভাঙ্গতে শুরু করলে স্হানীয় লোকজনসহ তিনি হাজির হন।
অভিযোগের বিষয়ে বিপুল হোসেনকে মুঠোফোনে জানানো হলে তিনি বলেন, আমি ঘরের টিন খুলতে শুরু করি বিকেল থেকে। কাজ শেষ করতে রাত হয়েছে। ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ছিনতাই দুরের কথা আমি বা আমার কোন লোকজন আজদারের বাড়িতে প্রবেশ করিনি।

বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, জমি জমার বিষয় তাই উভয় পক্ষকে কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ছিনতাই ঘটনার বিষয় জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান এ ওসি