রাজশাহীর বাঘায় স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষন করার অভিযোগে ৩ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে নিজ-নিজ বাড়ী থেকে তাদের আটক করা করা হয়।

তবে প্রধান আসামী আলামিন (২৬) পলাতক।

অভিযোগে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় ঐ স্কুল ছাত্রীকে মোবাইল করে ডেকে আনে উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় মানিক হোসেনের ছেলে প্রেমিক আলামিন।

অভিযোগে জানা যায়, বিয়ের প্লোভোন দিয়ে আলামিন এর আগে ও তার সাথে দৈহিক মেলা-মেশা করেছে। সর্বশেষ গত শনিবার (১২-জুন) সন্ধ্যার পর সে ঐ ছাত্রীকে মোবাইল করে বাঘায় ডেকে নেয়। তার তিন বন্ধুর কাছে প্রেমিকাকে রেখে পরে আসছি বলে চলে যাই ।

এদিকে আলামিন ঘটনা স্থল থেকে চলে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। পরে ওই ৩ জন বাঘা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পেছনে নিয়ে যায় এবং রাতভর গণধর্ষন করে। পরে এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী বাদী হয়ে চার জনকে অভিযুক্ত করে বাঘা থানায় একটি ধর্ষন মামলা দয়ের করেন। মামলা নং- ১৬।

এ ঘটনায় বাঘা থানা পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের নিজ নিজ বাড়ী থেকে আটক করে।আটককৃতরা হলো-ধৃত আসামী উত্তর মিলিক বাঘা এলাকার এমদাদের ছেলে তারেক (২৫) এক এলাকার ছাদেকের ছেলে নাসিরুদ্দিন (২৩) এবং মিলিক বাজুবাঘা নতুন পাড়া এলাকার মহসিনের ছেলে সবুজ আলী (১৪)। তবে মামলার প্রধান আসামি পালাতক রয়েছে।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। অপর একজন পলাতক রয়েছে। আসামীদের সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।