
মোল্লা অবায়দুর রহমানঃ বিগত বেশ কিছুদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যশোর বাঘারপাড়া উপজেলার জহুরপুর ইউনিয়নে প্রায় ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২৫০ মিটার পাকা সড়ক নির্মাণে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সেখানে দেখা গেছে বালি ফিল্মং,সাব-বেইজ, সিলকোর্ড,প্রাইমকোর্ড,রাস্তার সোল্ডার নির্মাণ, প্লাসাইট নির্মান-সহ কার্পেটিং নির্মাণে নানা অনিয়ম রয়েছে। কাজের মান নির্ণয়ে বাইরে থেকে উন্নত মানের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্ট দেখানো হলেও সরেজমিনে অতি নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে পাথরের ডাস্টের পরিবর্তে লোকাল বালি, পরিমানে অল্প পাথরের সাথে বেশিরভাগ ডাস্ট এবং নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে।কাজের সাইডেও ছিলোনা কোন তাপ নির্ণয় যন্ত্র। তাছাড়া ওই অফিসের একটা নির্ভরযোগ্য সুত্র নিশ্চিত করে বলেন,
যেহেতু গত অর্থবছরে কাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাহলে কিভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ পে-অর্ডার করে এখনও কাজ করাচ্ছেন জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী? এবিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে ফোন কলে বক্তব্য নিতে চাইলে কৌশলে ঠিকাদার রবিকে সাংবাদিকের ফোন নাম্বার দিয়ে ম্যানেজ করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছে এমনটাই জানিয়েছেন ঠিকাদার রবি।ঠিকাদার বলেন কাজের ওয়ার্ক অর্ডার আনতে তৎকালীন উপজেলা প্রকৌশলীকে (বর্তমানে যশোরের অভয়নগরে কর্মরত) মোটা অংকের সুবিধা দিয়েছি এবং আপনাদের কিছু দরকার হলে সরাসরি বলতে পারেন।যার কল রেকর্ড সংগৃহীত আছে।
এবিষয়ে যশোর বাঘারপাড়া উপজেলার ওই অঞ্চলের একাধিক বাসিন্দা বলেন,
এই অনিয়মের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, সেই সাথে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে সরকারি বরাদ্দে অর্থ নয়ছয় করার দায়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের জোর দাবি জানাচ্ছি। এবিষয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানকালে জহুরপুর ইউনিয়নের কামাল হোসেন বলেন শুনেছি বাঘারপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা যোগদানের পরে নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন, তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এতবড় অনিয়মের খবর ছড়িয়ে পড়লেও কোন পদক্ষেপ নিতে দেখিনি।
এবিষয়ে বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভুপালী সরকার মোবাইল নম্বরে ফোন করলে তিনি বলেন আমি অবগত হয়েছি এবং অতি গুরুত্বের সঙ্গে অফিসিয়ালি চিঠি দিয়ে অনিয়মের বিষয় ক্ষতিয়ে দেখব।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.