নড়াইলে টাকা ফেরত চাওয়াই বাবা ও ছেলে কে কুপিয়ে জখম।
মো: অাজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের চাচই পশ্চিমপাড়া অা: হাই সিকদার (৬৪) ও তার ছেলে মশিয়ার সিকদার (৩৫) সাং চাচই, থানা লোহাগড়া, জেলা নড়াইল, কে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে জখম করেছে একই গ্রামের আদম ব্যবসায়ী ইদ্রিস সিকদার বাহিনী।
অা: হাই সিকদারের কাছ থেকে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাই শিকদারের ছেলে, মশিয়ার সিকদারকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে ৩ বছর আগে ৪ লক্ষ টাকা নাই একই গ্রামের ইদ্রিস সিকদার, আজকাল করে করে বিদেশ নিতে পারে নাই, তখন ইদ্রিস শিকদারের, কাছে টাকা ফেরত চাই হাই শিকদার,সে বলে আজ না হয় কাল বিদেশ নিব।
অা:হাই সিকদার বলেন, গত ৫/১১/২০২০ তারিখ : শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে চাচই পশ্চিমপাড়া হাবিলদের বাড়ির পাশে রাস্তার উপর দেখা হয় ইদ্রিস সিকদার এর সাথে তখন তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, টাকা ফেরত কবে দিবে, তখন ইদ্রিস শিকদার হাই শিকদারের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে, ও তার সাথে থাকা রিপন সিকদার, এবং রাসেল সিকদার,ইজাপ সিকদার, কে বলে সালা কে টাকা বুঝিয়ে দে। ইদ্রিস শিকদারের নির্দেশে তার সাথে থাকা চার জন হাই সিকদার কে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।
এসময় হাই শিকদারের চিৎকারে তার ছেলে মশিয়ার সিকদার বাড়ি থেকে দৌড়ে আসে, তখন রিপন সিকদার, রাসেল সিকদার, ও ইজাপ সিকদার,মিলে মশিয়ার এর মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে দেশীয় অস্ত্র ধারা আঘাত করে।
এসময় পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে হাই শিকদার ও মশিয়ার সিকদার কে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। এবং হাই শিকদারকে লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে, ও মশিয়ার এর অবস্থা আশঙ্কা থাকায় তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
তারা দুইজন এখনো চিকিৎসাধীন আছেন।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মুঠোফোনে কথা হয় ইদ্রিস শিকদারের সে বাড়াবাড়ির কথা স্বীকার করেন। এবং টাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, অামি ১০/থেকে ১৫/ বছর আগে হাই শিকদারের নিকট থেকে এক লক্ষ ৫০.০০০ হাজার টাকা নিয়ে ছিলাম, ওই টাকা থেকে ৯০.০০০হাজার টাকা ফেরত দিয়েছি।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি এবং মামলার প্রস্তুতি চলতেছে।
মো: অাজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।
মোবাইল :০১৯২০২৮১৭৮৭/০১৭০৫১৯৩০৩০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.