দিনাজপুরের খানসামায় হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দোকানের সামনে/রাস্তায় দাঁড়িয়ে শুঁড় তুলে সালাম দিচ্ছে। যতক্ষণ পর্যন্ত শুঁড়ের মাথায় টাকা গুঁজে দেয়া না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত শুঁড় তুলছে না হাতিটি। পথচারী, যানবাহন থামিয়ে একই কায়দায় টাকা আদায়। এভাবে ১০ থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

রবিবার (৩০ জানুয়ারী ) খানসামা উপজেলার টংগুয়া বাজারের হাতিটির দেখা মেলে। দোকানদার এবং পথচারীরা জানান, আজ সকাল থেকে হাতি দিয়ে চাঁদা তোলা হয়। রাস্তা আটকে যান থামিয়ে চাঁদা আদায় করা হয়েছে। দোকান থেকেও একই কায়দায় টাকা আদায় করা হয়েছে।

শাহিন আলম (রনি) নামে এক ইপিজেড শ্রমিক বলেন, আমি টাকা না দিলে হাতিটি আমাকে সড়ক দিয়ে যেতে দেয়নি। আমি আজ খানসামা হতে নীলফামারী যাওয়ার পথে হাতির চাঁদাবাজির শিকার হয়েছি।’

শুধু তাই নয় আমি দিতে চাইছিলাম ১০ টাকা কিন্তু আমার কাছে খুচরা টাকা না থাকার কারণে ১০০ টাকার নোট দিয়েছি কিন্তু আমাকে পরে আর কোন টাকা ফেরত দেয়নি।

জানা গেছে, বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে লালন-পালন করা হাতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। তবে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়টি বন্ধ করতে সাধারণ আইনে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিতে পারেন।