রাজধানীর মগবাজার ও হাতিরঝিল এলাকায় টিকটক হৃদয়কে সবাই বখাটে হিসেবে চেনে। সে গ্রুপ নিয়ে হাতিরঝিল এলাকায় টিকটক করে বেড়াতো। কোনো কাজ করতো না, সারাদিন বন্ধুদের নিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করতো। কোনো কাজ না করার কারণে তার মা তাকে চার মাস আগে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার কিছুদিন পরই হৃদয় ভারতে চলে যায়। দেশে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে রমনা থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা হয়েছিল।

যৌন নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর হৃদয়ের খোঁজে পুলিশ তাদের বাসায় যায়। এরপর হৃদয়কে তারা ভিডিও দেখে শনাক্ত করে।

বুধবার রাতে হাতিরঝিল থানা পুলিশ হৃদয়ের বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালায়। তখন তার জেএসসির এডমিট কার্ড, রেজিস্টেশন কার্ড ও একটি জাতীয় পরিচয় পত্র জব্দ করে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তার বাবা মা, মামা ও চাচাদের। রাতে তাদের অনেককেই থানায় নিয়ে আসা হয়।

মামা ফরহাদ হোসেনের মোবাইল দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে টিকটক হৃদয়ের সঙ্গে ছদ্মবেশে বুধবার রাতে যোগাযোগ করে পুলিশ। পুলিশ তাকে যৌন নির্যাতনের ভিডিও সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে, হৃদয় জানায় ঘটনাটি ১৫/১৬ দিন আগের। তারা ভারতের পুনেতে রয়েছে।

এরপর বাংলাদেশের পুলিশ ভারতের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ভারতের পুলিশ অভিযান শুরু করে। বৃহস্পতিবার ভারতের বেঙ্গালুরুর পুলিশ।