
যশোর কেশবপুরের লক্ষ্মীনাথকাটি গ্রামে ৬ বছরের শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ঘটনায় মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মহিউদ্দিন গাজী পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, কেশবপুর উপজেলা মজিদপুর ইউনিয়নের লহ্মীনাথকাটি গ্রামের মৃত করিম বক্স গাজীর পুত্র ফতেপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মহিউদ্দিন গাজী (৫৮) সোমবার দুপুরে প্রতিবেশীর শিশু কন্যা (৬) কে ফুসলিয়ে নিজ বাড়ির দোতলার ছাদের উপর নিয়ে যায়। এসময় মহিউদ্দিন গাজী শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
শিশুর দাদী বলেন, দুপুরের দিকে শিশুটি কান্না করতে করতে বাড়িতে ছুটে আসে এব সকল ঘটনা খুলে বলে। পরে তার পিতা ও মাতা শিশুটিকে প্রথমে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এরপরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিশুর দাদা বলেন, ঘটনা পর হতে মহিউদ্দিন গাজী বাড়ি থেকে পালিয়েছে। তার ছেলে হাসপাতালে থেকে বাড়িতে ফিরে আসার পর থানায় মামলা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোরে মহিউদ্দিনের বাড়িতে যেয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রী জোহরা বেগম (৫৫) দৈনিক কলম কথা'কে বলেন, সোমবার দুপুরের পর হতে তার স্বামী পলাতক রয়েছে।
শিশুকে ধর্ষণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রতিবেশীর সাথে তাদের জমাজমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। তারই জের ধরে তারা পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীর উপর মিথ্যা অভিযোগ তুলে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। আমরা টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.