মোঃ এনামুল হক স্টাফ রিপোর্টারঃ নড়াইল জেলা আরজেএফ সভাপতি ও যুগ্ম মহাসচিব সাজ্জাদ আলম খান সজল আরজেএফ বেষ্ট আ্যাওয়ার্ড-২০২২ইং রোজ সোমবার ২৮মার্চ সমাজ সেবায় ও সফল সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য পদক পেলেন রুর‍্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন(আরজেএফ) এর পক্ষ হতে।

২৮ মার্চ ২০২২ সোমবার বিকাল ৩টায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তন সেগুনবাগিচা, ঢাকায় রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র উদ্যোগে আরজেএফ’র ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

আরজেএফ’র চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ আল-আমিন শাওনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রদূত লেঃ জেনারেল (অবঃ) এম হারুন-অর-রশিদ বীর প্রতিক। প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক ও দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের সম্পাদক ড. খান আসাদুজ্জামান, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. শাহিদা রহমান রিংকু, এসডিএস’র নির্বাহী পরিচালক রাবেয়া বেগম।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী মোঃ বাহাউদ্দিন, সামাজিক বন পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এ ইব্রাহিম ভূঁইয়া, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন (এফবিজেও)’র মহাসচিব মোঃ শামছুল আলম, প্রজাপতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জেসমীন নূর প্রিয়াংকা। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন হাজী মোঃ মোহসীন উদ্দিন খান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, জাহিদ হাসান জিন্নাহ, মোঃ বাহাউদ্দিন, সেকেন্দার আলম শেখ, সালাম মাহমুদ, মোঃ শামসুল আলম, মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, জামাল সিকদার, সাজ্জাদ আলম খান সজল, সিদ্দিকুর রহমান আজাদী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আরজেএফ স্মারক সম্মাননা ১০ জনকে প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, স্বাধীনতার ৫১ বছরে আমরা দেশ ও জনগণের পক্ষে কাজ করে চলছি। আর আরজেএফ তৃণমূল সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে কাজ করে চলেছে। ১৫ বছরে আরজেএফ’র অনেক ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। আমরা আমাদের কর্মকান্ড দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আরজেএফকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আরজেএফ গণমাধ্যমের কথা বলে এই স্লোগানকে আমরা বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথরিয়া, বান্দরবান থেকে সুন্দরবনসহ সকল পর্যায়ের সাংবাদিকদের দৌরগড়ায় নিয়ে যেতে চাই।