
রমজান মাসে নারীদের ঋতুস্রাব (পিরিয়ড) শুরু হলে বা শেষ হলে কী করা উচিত? ইসলামিক বিধান অনুসারে এ সংক্রান্ত করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।
🔹 রোজারত অবস্থায় যদি ঋতুস্রাব (হায়েজ) শুরু হয়, তবে সেই দিনের রোজা ভেঙে যাবে।
🔹 এরপর পিরিয়ড চলাকালীন রোজা রাখা হারাম, তাই কাজা রোজা আদায় করতে হবে।
🔹 প্রকাশ্যে খাবার গ্রহণ না করলেও, গোপনে খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করা বৈধ।
🔹 পিরিয়ড চলাকালীন নামাজ পড়া নিষিদ্ধ, তবে দোয়া, জিকির ও কোরআন তেলাওয়াত (স্পর্শ ছাড়া) করা যায়।
🔹 ঋতুস্রাব বন্ধ হলে পবিত্রতার গোসল (গোসল জানাবাত) ফরজ।
🔹 যদি সুবহে সাদিকের আগে পিরিয়ড শেষ হয়, তবে রোজা রাখা বাধ্যতামূলক।
🔹 যদি ফজরের পর গোসল করা হয়, তবুও রোজা শুদ্ধ হবে।
🔹 পিরিয়ড শেষের পর নামাজ ও অন্যান্য ইবাদত পুনরায় শুরু করতে হবে।
🔹 যদি সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগেও পিরিয়ড শুরু হয়, তাহলে ওই দিনের রোজা বাতিল হয়ে যাবে।
🔹 পরবর্তী সময়ে সেই রোজাটি কাজা করতে হবে।
✅ ইবাদত: কোরআন তেলাওয়াত (স্পর্শ ছাড়া), দোয়া, ইস্তিগফার ও জিকির করা যাবে।
✅ সাদাকা: দান-সদকা ও অন্যান্য নেক আমল করা যাবে।
✅ ইফতার আয়োজন: পরিবারের জন্য ইফতার তৈরি করা ও পরিবেশন করা যাবে।
✅ ইসলামিক শিক্ষা: হাদিস ও ইসলামের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানা ও অধ্যয়ন করা যেতে পারে।
✅ কিছু নারী ওষুধ খেয়ে পিরিয়ড সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে রোজা রাখতে চান।
✅ ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি অনুমোদিত, তবে স্বাস্থ্যগত ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে তা পরিহার করাই উত্তম।
✅ আল্লাহর স্বাভাবিক নিয়ম অনুসরণ করাই শ্রেয়।
🔹 ঋতুস্রাবের কারণে ছুটে যাওয়া রোজাগুলো রমজানের পর কাজা করতে হবে।
🔹 একটানা কাজা করতে হবে না, তবে যত দ্রুত সম্ভব পূরণ করা উত্তম।
🔹 নামাজের কাজা নেই, তবে রোজার কাজা অবশ্যই করতে হবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.