
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। একজন মানুষের পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম তার নাম। তাই ইসলামি শরিয়তের আলোকে শিশুদের নামকরণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়।
তবে অনেক সময় অজান্তেই এমন কিছু নাম রাখা হয়, যা ইসলামে নিষিদ্ধ (হারাম)—এসব নাম আল্লাহর প্রতি অবমাননা সৃষ্টি করতে পারে, কিংবা ভুলভাবে আল্লাহর নামে কোনো শব্দ যুক্ত হয়।
নিচে ইসলামি শরিয়তের আলোকে কিছু নামের ধরন উল্লেখ করা হলো, যেগুলো রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ—
যেমন:
এই ধরনের নাম ইসলামী দৃষ্টিতে ভুল, কারণ “আব্দ” বা “গোলাম” শব্দ শুধুমাত্র আল্লাহর জন্যই প্রযোজ্য (যেমন- আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান ইত্যাদি)।
কিছু নাম আল্লাহর ৯৯টি গুণবাচক নামের অন্তর্ভুক্ত নয়, তবুও ভুল করে অনেকে এগুলোকে আল্লাহর নাম ভেবে ব্যবহার করেন।
যেমন:
কোরআন বা হাদিসে এসব নাম আল্লাহর নাম হিসেবে উল্লেখ নেই, তাই এভাবে নাম রাখা হারাম।
যে নামগুলোর অর্থ মানুষকে অতিমাত্রায় উচ্চ বা আল্লাহর সমকক্ষ ভাব প্রকাশ করে, সেগুলো রাখা নিষিদ্ধ।
যেমন:
➡️ এই নামগুলো অহংকার ও মিথ্যাচারের ইঙ্গিত দেয়।
আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট কিছু নাম মানুষের জন্য ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
যেমন:
➡️ এসব নাম কেবল সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর জন্য সংরক্ষিত।
যাদের নামের মধ্যে উল্লিখিত কোনো নিষিদ্ধ বা হারাম নাম রয়েছে, তাদের উচিত নাম পরিবর্তন করে ইসলামসম্মত নাম রাখা।
নবী করিম (সা.) বলেছেন,
“তোমরা তোমাদের সন্তানদের সুন্দর নাম দাও, কারণ কিয়ামতের দিন তাদের নামেই ডাকা হবে।”
(সহিহ হাদিস, আবু দাউদ)
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.