
বসুন্দিয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের অবহেলায় একবার প্রানে বেঁচে গেলেও ঝুঁকিতে রয়েছে একটি পরিবার। স্থানীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রে একাধিক বার ধরনা ধরেও সমাধান পায়নি ভূক্তভুগি পরিবার।
রবিবার বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যশোর সদরের বসুন্দিয়ার ৩ নং ওয়ার্ড খানপাড়ার মোঃ রেজওয়ান খাঁনের বাড়িতে দুটি মিটার।
মিটার নং যথাক্রমে ২৪১০/২৪১১ দুই বিল্ডিংএ থাকলেও পূর্বে খাম্বা থেকে দুটি মিটারের আলাদা আলাদা তারের ব্যাবহার ছিল। কিন্ত প্রায় ৪মাস আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পেঁপে গাছ ভেঙ্গে তারের উপর পড়লে তার ছিঁড়ে যায় এবং মিটার বোর্ড থেকে খুলে ঝুলে থাকে, এ অবস্থায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অভিযোগ দিলে তারা গিয়ে প্রাথমিক ভাবে তার পরিবর্তন না করে ওই ছেঁড়া তার গুলো অরক্ষিত অবস্থায় একাধিক জোড়া তালি দেয় এবং মিটার টা দড়ি দিয়ে বেঁধে অরক্ষিত অবস্থায় রেখে চলে যায়।
পরবর্তীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আবারো সবকিছু সঠিক করে দিতে অভিযোগ দিলে বিদ্যুৎ বিলের কপি নিয়ে অভিযোগ কেন্দ্রে যেতে বলেন, ভুক্তভোগী সেই মোতাবেক বিদ্যুৎ বিলের কপি নিয়ে অফিসে জমাও দেয়, সেই থেকে শুরু আজ না কাল। এর মধ্যে বাড়ির ছাদে এমন অরক্ষিত জোড়া দেয়া তারে শক লেগে একজন অসুস্থ হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রোয়জনে ছাদে যেতে ভয় পায়। ভুক্তভোগী পরিবারের একজন সদস্য বলেন আমরা সবসময় উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে মধ্যে থাকি কখন জানি বাড়ির ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে ছাদে উঠে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
এ অবস্থায় অনেক বার বসুন্দিয়া বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রে অভিযোগ দিয়ে সুফল না পেয়ে ওই পরিবার বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট বিনিত অনুরোধ করে বলেন খুব দ্রুত এ ব্যাপারে পদক্ষেপ না নিলে অকালে ঝরে যেতে পারে তাজা প্রাণ এবং শর্ট সার্কিটের কারণে পুড়ে শেষ হয়ে যেতে পারে বাড়িটি।
এ ব্যাপারে অত্র ওয়ার্ডের ইউ পি সদস্য শওকত জাহান শুপ্ত বলেন আমিও একাধিক বার এব্যাপারে বসুন্দিয়া পল্লিবিদুৎ ইনচার্জের সাথে কথা বলেছি তিনি এ ব্যাপারে কোন গুরুত্ব দেয়নি, তিনি আরো বলেন উচ্চ পর্যায়ের তদারকি না থাকায় ইউনিয়নের অনেক যায়গায় এমন জোড়াতালি দিয়ে চলছে, যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা।
এই অভিযোগের ব্যাপারে বসুন্দিয়া পল্লিবিদুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ তারেক মাহাবুবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এমন কোন অভিযোগ আমি পাইনি, তবে আমার অফিসে অন্যকেও পেয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তবে পুনরায় আমার কাছে উক্ত বিলের কপি নিয়ে আসলে আমি ব্যাবস্থা নিব।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.