
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সম্পূর্ণ অরক্ষিত সেতু দিয়ে ঝুকিপূর্ণ ভাবে প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে শিশু, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী সহ শতশত মানুষ পারাপার হচ্ছে! পায়ে হাটার পাশাপাশি বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান, ইজিবাইকের মতো বিভিন্ন তিন চাকার বাহন এ সেতু দিয়ে অনিরাপদ ভাবে চলাচল করছে। প্রায় দুই যুগ আগে নির্মিত এ সেতুর জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে ব্রিজ সংলগ্ন কয়েকটি ছিন্নমূল পরিবারের ২ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশু ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা! এমনকি একটু অসাবধান হলেই প্রাপ্ত বয়স্করাও ব্রিজ থেকে পড়তে পারেন সরাসরি হরিহর নদীতে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ঝুকিপূর্ণ ব্রিজের মেরামতের বিষয়ে জানতে গেলে মণিরামপুর পৌরসভা ও উপজেলা প্রকৌশলী শাখার কর্মকর্তারা একে অপরের দোষারোপে সাধারণ মানুষ হতাশা প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখিত সেতুটি যশোরের মণিরামপুর পৌরসভার মোহনপুর-তাহেরপুর ওয়ার্ডের সংযোগস্থলের। স্থানীয়দের তথ্যমতে,প্রায় ২ যুগ(২২ বছর) আগে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের(এলজিইডি) আওতায় নির্মিত সেতুটি দিয়ে শিক্ষার্থী সহ ছোট ছোট অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। তথ্য আছে,দীর্ঘদিনের এ সেতুটি ২০২২ সালে মণিরামপুর রাজগঞ্জ মোড়স্থ ব্রিজ নির্মানের সময়ে বাইপাস সড়ক হিসাবে উল্লেখিত ব্রিজটি ব্যবহারে অতিরিক্ত চাপের ফলে রেলিংয় সহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেই। সে থেকেই এ সেতুটি আস্তে আস্তে চারপাশের রেলিং ভেংগে এখন চলাচলে সম্পূর্ন ঝুকি হয়ে পড়েছে।
এলকাবাসী জানান,সেতুটি মনোরম ও নিরিবিলি হওয়াতে বিকাল হলেই আশপাশের শিশু সহ বিভিন্ন বয়সী লোকজন সময় কাটাতে আসে। তাছাড়াও স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের শিশুরা সময় অসময় সেতুটির উপরে যাতায়ত করে। চলাচলে ব্যাস্ততার সাথে কোমলমতী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্রিজটির মেরামতের দাবী এলকাবাসীর।
এ দিকে মণিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) বরাবর তথ্য চাহিয়া আবেদন করলে প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদের কথা মোতাবেক সহকারি প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এটা পৌরসভার কাজ! তাদের সাথে যোগাযোগ করেন। পরবর্তীতে মণিরামপুর পৌরসভার সচিব মোঃ তৌফিকুল ইসলাম জানান,এটা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী শাখার কাজ তারাই এর দায়ভার নিবেন। পুনরায় সহকারি প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান'কে ফোন করলে তিনি আবারও জানান,এটা নির্মিত আমাদের হলেউ বর্তমানে সম্পূর্ণ দায়ভার মণিরামপুর পৌরসভার!
এ সমস্ত বিষয়াদি মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন'কে জানালে তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৫
Copyright © 2026 kolomkotha. All rights reserved.