সরেজমিনের তথ্যচিত্রে দেখা যায়, মণিরামপুর পৌরশহরের ব্যস্ততম মণিরামপুর-রাজগন্জ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড় (তাহেরপুর) মণিরামপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মণিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন হাজী চিড়ার মিলের সামনে এলজিইডির নির্মানকৃত সড়কের ১মিঃ এর মধ্যে সুমনের চায়ের দোকানের গা ঘেঁষে দন্ডায়মান বয়স্ক মেহগনি গাছটির শতকরা ৯০% বৃহৎ অংশ রাস্তার উপরেই দীর্ঘদিন হেলে পড়ে আছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ মেহগনি গাছটি এর আগে খাঁড়া দন্ডায়মান ছিলো, তবে মণিরামপুর পৌরসভার সাপ্লাই পানির লাইনের ড্রেনেজ ব্যবস্থার সময়ে কর্তৃপক্ষের অসাবধানতায় গাছটির বড় একটি শেকড় কাটা পড়াতে ভারসাম্য হারিয়ে রাস্তার উপরেই দিন গেলেই হেলে পড়ে বর্তমানে বিপদজনক হয়ে পড়েছে।
ফুটেজ মোতাবেক,গাছটি ভারসাম্য হারিয়ে হেলে পড়াতে রাস্তার ৪-৫ ফিট জায়গা জুড়ে উচ্চতায় ৭-৮ ফিট গাছের অংশ নেমে আসাতে বড় যানবাহন তার সম্পূর্ণ জায়গা ছেড়ে ডান পাশ দিয়ে অতিক্রম করে। ঠিক সে সময় সামনে হতে আসা ছোটবড় কোন ধরনের যানবাহন স্ব স্ব পার্শ্ব দিয়ে যাওয়ার কোন জায়গা থাকেনা। যদি ভুলক্রমে কোন যান অতিক্রম করতে যায় তাহলে দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা শতভাগ। তাছাড়াও বড় কাভার্ড ভ্যান বা পন্য লোডট্রাক অতিক্রম করতে গেলেও উপরে গাছে বাঁধা পেয়ে ঘঠতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।
স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান,কয়েকদিন আগেও গ্যাসের সিলিন্ডার ভর্তি একটি ট্রাক গাছে বাঁধা পেয়ে কয়েকটি সিলিন্ডার নিচে পড়ে যায়। আসপাশ ফাকা থাকায় সে দিন কোন দূর্ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরো জানান, আমি নিজেও গাছ বরাবর পারাপারের সময় ভয়ে থাকি, এর একটা সমাধান জরুরী হয়ে পড়েছে।
মণিরামপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল লতিফ জানান, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এ পথে আসার সময়ে দৈনিক আতংকে পারাপার হয়। যদি দূর্ঘটনা ঘঠে তার দায়ভার কে নিবে!
আতংঙ্কভারে বড় যানবাহনের চালক'রা বেশি বিপাকে পড়ার কথা স্বীকার করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে জোর দাবী করে দ্রুত সময়ে গাছটি অপসারণের ব্যাবস্থা গ্রহনের ব্যাপারে জেলা পরিষদের প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মণিরামপুর-রাজগন্জ লাইন শ্রমিক নেতারা।
সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের(এলজিইডি) ও মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে পথচারী সহ বিষয়টির ভুক্তভোগীরা অতিদ্রুত এ সমস্যার সমাধানের দাবী জানিয়েছেন।