প্রাচীনকাল থেকে বর্তমানের একবিংশ শতাব্দী। সব যুগে, সকল কালে বঞ্চনার, নিগ্রহের কিংবা নিষ্পেষণের শিকার হয়েছেন নারী। আধুনিক যুগে নারীদের জয়জয়কার, সাফল্যের শাণিত তলোয়ার পুরুষদের চেয়ে কম তীক্ষ্ণ নয়।

তবুও যুদ্ধ যেন নারীদের নিত্য সঙ্গী। প্রতিনিয়ত সে যুদ্ধে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ গতিতে। আর তারই আরেকটি অকাট্য প্রমাণ মিলবে কাতার বিশ্বকাপে।

এই প্রথম পুরুষদের বিশ্বকাপে রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ৬ জন নারী। কাতার বিশ্বকাপের জন্য রেফারি, সহকারী রেফারি ও ভিডিও অ্যাসিসটেন্ট রেফারিদের (ভিএআর) যে তালিকা প্রকাশ করেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা, সেখানে ৬ জন নারী রয়েছেন।

মোট ৬৪টি ম্যাচে প্রধান রেফারি থাকবেন ৩৬ জন, সহকারী রেফারি ৬৯ জন আর ভিএআরের জন্য থাকবেন ২৪ জন। ১২৯ জনের ভিড়ে ‘ছয়’ সংখ্যাটি খুবই ছোট, তবে এটি নারীদের অগ্রযাত্রা বলা যায়।

ছয় নারীর মধ্যে প্রধান রেফারি হিসেবে থাকবেন—জাপানের ইয়োশিমি ইয়ামাশিতা, ফ্রান্সের স্টেফানি ফ্র্যাপার্তে ও রুয়ান্ডার সালিমা মুকাসানগা।

আর সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—ব্রাজিলের নিউজা ব্যাক, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাথরিন নেসবিট এবং মেক্সিকোর কারেন দিয়াজ মেদিনা। এই ৬ নারীর প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ ও তারকা রেফারি।

বিশেষ করে ফ্রান্সের ফ্র্যাপার্ত ২০১১ সাল থেকে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ইউরো, চ্যাম্পিয়নস লিগ, উয়েফা সুপার লিগসহ বিভিন্ন অঙ্গনে ম্যাচ পরিচালনা করেছেন।