নতুন বাংলাদেশ গঠনে এসব অনলাইন অ্যাকটিভিস্টকে দেশে ফিরে সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে সংগঠনটির কার্যালয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির ডায়াসপোরা কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সারজিস আলম।
সারজিস আলম বলেন, ‘অভ্যুত্থান পূর্ববর্তী সময়ে খুনি হাসিনা মিডিয়ার গলা চেপে ধরে রেখেছিল।
বিভিন্ন এজেন্সি সার্বক্ষণিক নজরদারি করত। কিন্তু দেশের বাইরে প্রবাসী ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিকেরা সাহস জুগিয়েছেন, খুনি হাসিনার রেজিমের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই সমন্বয়ক বলেন, আমরা যদি উদাহরণ দিই ইলিয়াস ভাই, পিনাকী দাদা, কনক সরওয়ারের কথা বলি।
তাদের মতো এমন অসংখ্য ব্যক্তি রয়েছেন; যারা ওই রেজিমের বিরুদ্ধে দেশের বাইরে থেকে কথা বলেছেন এবং এখনো তাদের জায়গা থেকে দেশের জন্য কথা বলছেন। আমরা আমাদের এই ডায়াসপোরার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। নতুন বাংলাদেশ গঠনে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ’
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নাগরিক কমিটি জানায়, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়ন এবং পুনর্গঠনের কাজে যুক্ত করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।
এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা এবং প্রবাসী বিষয়ক সম্পাদক এহতেশাম হক চার মহাদেশ ও ৩০ দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধির সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় প্রবাসী কমিটি ঘোষণা করেন। কেন্দ্রীয় প্রবাসী কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন—আব্দুর রাকীব সামি, আবু সলমান মুরাদ, আবুল বাশার রহমান, আল আমিন, আলমগীর চৌধুরী আকাশ, আলমগীর হোসেন, এনামুল হক এনাম, দেওয়ান সাহাব-উদদীন, দিলশানা পারুল, ইসরাত জাহান চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম, ফারিয়া ফাহি প্রমুখ।
