রিপন বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিনিধি: পেশাজীবী সংগঠনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা। বিভিন্ন পেশার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সরাসরি কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবে কাজ করে আসছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন পেশা পেশাজীবী সংগঠনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মুক্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন তখনই নিজ রাজনৈতিক দলের ভিতরে মিশে থাকা কুচক্রী মহল তাদের অসৎ পথ অবলম্বনে নেমে পড়েছে। কিন্তু দেশনেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শক্ত হাতে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক নেতাদের পেশাজীবী সংগঠনের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপের কারণে যথাযথ শাস্তি দিয়েছেন।
আসছে আগামী ২২ অক্টোবর নড়াইল দলিল লেখক বহুমুখী সমবায় সমিতি লি: এর নির্বাচনকে শুধু দলিল লেখক নয় রাজনৈতিক কিছু অসৎ নেতাদের মধ্যেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। নির্বাচন পূর্ববর্তী পেশাজীবী সংগঠনে রাজনৈতিক নেতাদের এমন নড়েচড়ে বসা, দলিল লেখকদের সাথে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা করা- এমনকি ভোট চাওয়ারও সত্যতা পেয়েছে সাংবাদিকেরা।
গত ১৫ অক্টোবর দলিল লেখকদের মতবিনিময় সভায় এরই ঈঙ্গিত দিয়েছিলেন চেয়ার মার্কার মনোনীত সভাপতি প্রার্থী সাজ্জাদ আলম খান সজল। সেদিন তিনি ২২ অক্টোবরের নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছিলেন।
তার দৃষ্টান্ত ইতিমধ্যে সচেতন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।
এব্যাপারে জানতে চাইলে সভাপতি প্রার্থী সাজ্জাদ আলম খান সজল বলেন, আমি জানতে পেরেছি আমাদের দলিল লেখকদের মধ্যে বিভেদ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য দুএকজন অসৎ নীতি ভ্রষ্ট স্থানীয় নেতারা ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। এটা একদমই ঠিক না। আমিও রাজনীতি করি, কিন্তু রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি। জননেতার তারেক রহমানের আর্দশের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পেশাজীবী সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে চাই।
দলিল লেখকদের পেশাজীবী সংগঠন হস্তক্ষেপের জন্য অসাধু ব্যক্তিদের প্রতিহত করতে যা যা করণীয় আমি সেটা করব। এসময়ে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।