খুলনায় এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও গর্ভের বাচ্চাকে অস্বীকারের ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর দায়ের করা মামলায় ১৩ বছর পর পিতার স্বীকৃতি দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস ছালাম খান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ রফিকুল ইসলাম ঢালী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ বলেন, ২০০৯ সালের ২৬ আগস্ট খুলনা নগরীর ছোট বয়রা গোলদারপাড়া এলাকার মুদি দোকানী রফিকুল ইসলাম ঢালী একই এলাকার এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।
পরে তিন মাসের অন্তঃসত্তা ওই নারীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে ভুক্তভোগী নারী ১৮ সেপ্টেম্বর সোনাডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সোনাডাঙ্গা থানার এস আই মুন্সী শফিকুল ইসলাম আসামির নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আদালত আসামি, ভুক্তভোগী নারী ও ওই শিশুর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠান। এ বছরের ২২ জুন ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল আসলে শিশুটির পরিচয় শনাক্ত হয়। এর মধ্য দিয়ে আদালত শিশুটির পিতার স্বীকৃতি দিয়েছেন। এ মামলায় ৪ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।