‎এস এম তাজাম্মুল, মণিরামপুরঃ যানবাহনের চালকেরা এড়িয়ে চলছে,পথচারীরা কেউ কেউ কয়েক সেকেন্ড দাড়িয়ে দেখছে, অনেকে ভিডিও ধারন করছে! হয়তো দেখার কেউ নাই, থাকলে এ সমস্যার সমাধান ইতিপূর্বে হয়ে যেতো। দৃশ্যটি যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মণিরামপুর বাজারের। অপরিকল্পিত নির্মানে ভোগান্তিতে মণিরামপুর বাসীর জন্য আরো একটি নতুন সমস্যা ফুটে উঠেছে। গো’হাট মোড় হতে উপজেলা গেট এ ৭’শ মিটার সড়কে ছোট বড় মিলিয়ে ৫০টির বেশি গর্ত দেখা দেওয়া চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীদের। যে কোন সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘঠতে পারে দূর্ঘটনা হতে পারে প্রাণহানী! 

‎মহাসড়কের মণিরামপুর বাজারের সাত শো মিটার এ রাস্তার ধান হাট হতে দক্ষিণ মাথা বাসস্টান্ড পর্যন্ত চলতি এ প্রতিবেদকের কাছে ভিডিও ফুটেজের তথ্য আছে। যে তথ্য মোতাবেক, সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় দেখা গেছে পূরবী সিনেমা হলে গেট,থানা মোড়,কলাহাট মোড়,প্রেসক্লাব গেট হতে রাজগঞ্জ মোড়ের আগ পর্যন্ত এবড়ো-থোবড়ো গর্তে রীতিমতো নাজেহাল ছোট বড় যানবাহনের চালকেরা। তার মধ্যে বেশি ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে দূরপাল্লার পরিবহন ও হালকা-ভারী পন্যবাহী ট্রাকের চালকরা। ঢাকা হতে সাতক্ষীরা গামী এক নৈশ কোচের চালক ইসমাইল(ছদ্মনাম)  ক্ষোভ প্রকাশ করেন যে,সারা বাংলাদেশ গাড়ি চালিয়ে যখন শুনি মণিরামপুর বাজার হয়ে সাতক্ষীরা যেতে হবে তখন হতেই বিরক্ত লাগে। দিনে আসলে দুই ভোগান্তি রাত হলে ১টি। মাঝে মাঝে তো যাত্রীরা গালাগালিও করে,মিনিমাম ৫০টি ব্রেক ও বাম হাতের গিয়ার বদল করে গর্ত পার হতে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই কষ্টকর। কথোপকথন দেখে পন্যবাহী এক ট্রাক চালক পার্কিংয়ে গাড়ি রেখে এসে বলতে লাগলেন,আগে রাস্তা বড় করেন! সংবাদে লেখেন রাস্তা বড় না করলে এই সমস্যা থাকেই যাবে। 

‎তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দূর্নীতির দায় লাপাত্তা হলেও জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে চলতি এ প্রতিবেদক সড়ক ও জনপদ(সওজ) যশোর অফিসে যোগাযোগ করলে,ভ্রাম্যমাণ একটি সংস্কারক টিম পাঠিয়ে ইট ও বালি দিয়ে পুটিং দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

উল্লেখ্য, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মণিরামপুর শহরের ৭’শ মিটার রাস্তায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকা ও রাস্তার দু’পাশ দিয়ে ভবনগুলি থাকাতে সড়কের আয়তনটা চিপা হওয়ায় বেধে থাকে যানজট।