সমাজের সব মানুষ সমান হবে, এমনটা আশা করা ঠিক নয়। সবার চিন্তা-চেতনা এক রকম হবে না। সবার জ্ঞান-প্রজ্ঞাও এক রকম হবে না। ফলে সমাজে এমন অনেক মানুষ থাকবে, যারা ভালো-খারাপে পার্থক্য করার যোগ্যতা রাখবে না।

মূর্খতা ও বক্রতার কারণে তারা বরাবরই কষ্টের কারণ হবে। মহান আল্লাহ তাঁর হাবিবকে এমন লোকদের এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ক্ষমাশীলতার নীতি অবলম্বন করো, সত্য-সঠিক কাজের আদেশ দাও আর মূর্খদের এড়িয়ে চলো। ’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৯৯)

এই আয়াতে মহান আল্লাহ তিনটি নির্দেশ দিয়েছেন, এক. ক্ষমাশীলতা অবলম্বন করা। দুই. সত্য ও সঠিক কাজের দাওয়াত দেওয়া। তিন. মূর্খদের এড়িয়ে চলা। অর্থাৎ মূর্খরা তাদের অজ্ঞতা ও বক্রতার কারণে মুমিনের সঙ্গে অনেক অসৌজন্যমূলক আচরণ করে ফেলবে, মুমিন তার প্রতিশোধ না নিয়ে তাদের সঙ্গে কল্যাণকর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার করতে হবে এবং একান্ত কোমলতার সঙ্গে তাদের সত্য ও ন্যায়ের বিষয় বাতলে দিতে হবে।

মুমিন তাদের মূর্খতাপূর্ণ আচরণের বদলায় যেন তাদের সঙ্গে মূর্খজনোচিত না করে; বরং তাদের বক্রতাপূর্ণ মতগুলো এড়িয়ে চলে। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনের অন্য আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর ভালো ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দকে প্রতিহত করো তা দ্বারা, যা উত্কৃষ্টতর, ফলে তোমার ও যার মধ্যে শত্রুতা রয়েছে সে যেন হয়ে যাবে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু। ’ (সুরা : হামিম সিজদা, আয়াত : ৩৪-৩৫)