পাবলিক এ্যাক্ট ১৯৪৪ রহিত করে সংশোধনসহ পুনঃপ্রণয়নের জন্য সংসদে সরকারি ঋণ বিল, ২০২২ সংশোধিত আকারে পাস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তাফা কামাল বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।
বিলে সরকারি ঋণ সংগ্রহ, রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি ও কাউন্টার গ্যারান্টি, সরকারি ঋণ, সরকারি ডিপোজিটরি স্থাপন, সরকারি সিকিউরিটি হস্তান্তর, এই সিকিউরিটি হস্তান্তরে দায়বদ্ধতা, ট্রাস্টের নোটিশ, ইস্যু করা সার্টিফিকেটের অর্থ প্রদান, সরকারি সিকিউরিটির রূপান্তর, পুনর্গঠন, বিভাজন ও পুনঃইস্যু, বিধি, আদেশ, নির্দেশনা, গাইডলাইন ও পরিপত্র জারির ক্ষমতাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলে আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি নিজের বা কারো পক্ষে সরকারি সিকিউরিটি বা জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের আওতায় ইস্যু করা সার্টিফিকেটের স্বত্ব অর্জনের জন্য মিথ্যা তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জেল বা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা হবে।
জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, পীর ফজলুর রহমান, রওশন আরা মান্নাম, শামীম হাশদার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ এবং রুমীন ফারহানা বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে কয়েকটি সংশোধন গ্রহণ করা হয়। বাকী প্রস্তাবগুলো কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।