Ñ

১৯৯৮ সালে সনিকে তার একটা বিশেষ মডেলের ৭ লাখ ক্যামেরা বাজার থেকে সরিয়ে নিতে হয়েছিলো। ক্যামেরাটির একটা বিশেষ বৈশিষ্ট ছিলো।

সনি তার নতুন ক্যামকোডারের এক্স-রে, নাইট ভিশন, ইনফ্রারেড টেকনোলজি নিয়ে দারুণ মার্কেটিং করেছিলো কারণ এই ক্যামেরাটি অন্ধকারেও ছবি তুলতে সক্ষম। ক্রেতাদের জন্য দারুণ এক প্রোডাক্ট, তাই না?
কিন্তু সবকিছু পরিকল্পনামতো গেলো না।

দিনের আলোতে নাইটশট ছবির এমন একটা বৈশিষ্ট্য আবিষ্কৃত হলো যেটা খুব গ্রহণযোগ্য নয়।
দেখা গেলো মানুষজন পোষাক পরিহিত অবস্থায় নারীদের ছবি তুলছে এই মোডে এবং ছবি তোলার পর তাদের প্রায় নগ্ন দেখাচ্ছে।[১]
ABC নিউজের একজন রিপোর্টার জানান যে, অন্ততঃ ১২ টি ওয়েবসাইট পাওয়া যায় যেখানে প্রায় নগ্ন মহিলার ছবি পাওয়া যাচ্ছে অথচ ছবিগুলো তোলার সময় তারা সবাই কাপড় পরে ছিলেন।

দেখা গেলো মানুষজন পোষাক পরিহিত অবস্থায় নারীদের ছবি তুলছে এই মোডে এবং ছবি তোলার পর তাদের প্রায় নগ্ন দেখাচ্ছে।[১]
ABC নিউজের একজন রিপোর্টার জানান যে, অন্ততঃ ১২ টি ওয়েবসাইট পাওয়া যায় যেখানে প্রায় নগ্ন মহিলার ছবি পাওয়া যাচ্ছে অথচ ছবিগুলো তোলার সময় তারা সবাই কাপড় পরে ছিলেন।
এটা ভয়ংকর – আমি মনে করি এটা যে কাউকেই ক্ষুব্ধ করবে। আপনি বাইরে গেলে এটা আশা করবেন না যে মানুষ আপনার কাপড়ের নিচে কি আছে সেটা দেখবে। এটা একটি মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন এবং পৃথিবীর যেকোন দেশের আদালত এরকমটাই রায় দেবে।[২]

পূর্বোল্লিখিত ‘এক্স-রে’ ভিশন আসে এক ধরণে বিশেষ লেন্সের মাধ্যমে যেটা বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে কাপড় ভেদ করে আংশিকভাবে দেখতে পায় তার ইনফ্রারেড টেকনোলজি দ্বারা (সাধারণতঃ গাঢ় রঙের কাপড়ের ক্ষেত্রে কাপড়টাকে অর্ধস্বচ্ছ দেখায়)।
যে কোন পাতলা ব্লাউজ বা কাপড়ের উপর যদি প্রচুর আলো ফেলা হয় তাহলে তার নিচে কি আছে সেটার একটা অবয়ব দেখা যায়; এই সনি ক্যামকোডার দ্বারাও একই দৃশ্য দেখা যায়।[৩]
পরিস্থিতি সামাল দিতে টেকজায়ান্ট সনি বাজারে বিক্রি হওয়া এই মডেলের সকল পণ্য বাজার থেকে তুলে নেয়ার ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মানুষজন বিভিন্নভাবে এই ক্যামকোডার জোগাড় করার চেষ্টা করেছিলো এবং কোন কোনটি ৭০০ ডলারে পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিলো।