দারিদ্রতা

রাশেদুল ইসলাম

অভাব পাখির ওজন কতো
মেপেছিস কি তোরা,
কোন কালে পাইনি খুজে
ওজনের পালা জোড়া।

ঐ পাখিটির স্টিম রোলে
আমি যে বড়ো অসহায়,
দেহের ভিতর পঙ্খীটারে
ঠোকর মেরে খায়।

ধার নিতে চায় জীবন খানা
বদলা দিবে শুন‍্য,
পঙ্খী ছাড়া আই অভাবীর
আছে কি কোন মুল‍্য।

তারে কি পেয়েছিস তোরা
আমি পেয়েছি ধারে,
জীবন শ্বাসের যাওয়া আসা
ঐ হিংস্র পাখিটির ভারে।

সে কতকটা হিংস্র
বুঝেছি আমি বহনে,
দিবানীশি পুড়ি আমি
তার হিংস্রতার দহনে।

বারে বারে ঝলসায় মোরে
মর্গে দেয়ার ছলে,
আমায় মর্গ লহেনা কাছে
আই অভাবি বলে।

মর্গ হাসে জেন্দা লাসে
তাই লহেনা কাছে,
বন্ধ চোখের মানুষ তাই
আমার তরে নাহি সাজে।

যে বাধনে বেধেছে আমায়
খুলিবার পথ হারিয়েছি তাই,
আট পা ওয়ালা খেকোর থেকে
রক্ষা যে আমার নাই।

ঘার অবধি মাথায় বসেছে
বাদ দেয়নি নিচ দেহো,
ক্লান্তি ভারে অশ্রু ফেলে
নয়ন খানা সেও।

হাসি আনন্দে আলসে গোড়ায়
বসিয়া রহে সে,
জ‍্যান্ত লাসে নেই করুনা
দুঃখ দিতেই বসে।

আমি তো নহে ইন্জিন
বহন করিবো তারে,
ঐ পাখিটি বুঝে না তা
সঙ্গ মোর নাহি ছাড়ে।

ওয়াদা করিয়াছে সে
সঙ্গে রহিবে আমার,
মরনকালেও দিবেনা সে
একলা চলে যাবার।

পঙ্গুত্বকে করেছি বরন
জীবন হয়েছে খোড়া,
ধরার বুকে দুখ সাগরে
তাই আমি আজ সর্বহারা।

ভার বহনে হারিয়েছি সাধ‍্য
তাই তো আজ ক্লান্ত,
আধমরা জীবন আমার
বাহিরে আমি জ‍্যান্ত।