বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে এখন আলোচনার শিরোনামে ‘নিষিদ্ধ নারী’ খ্যাত চিত্রনায়িকা মুনমুন।

ভোট পেতে মুনমুনকে দুই হাজার টাকা দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী জায়েদ খান, এমন অভিযোগ পরাজিত প্রার্থী নিপুণ।

এ বিষয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যেখানে দেখা গেছে, এফডিসিতে মুনমুনের হাত ধরে আছেন জায়েদ, আর নিজের ভ্যানিটিব্যাগে কিছু একটা রাখছেন মুনমুন।

মুনমুন টাকা নিচ্ছেন দাবি করে ভিডিওটি এখন ইউটিউবে সয়লাব।

এদিকে অভিযোগটি অস্বীকার মুনমুন জানিয়েছেন, টাকা নয় ভ্যানিটিব্যাগে মাস্ক রেখেছিলেন তিনি।

এরপর ইউটিউবারদের একহাত নেন ‘রানী কেনো ডাকাত’ খ্যাত তারকা।

মুনমুন বলেছেন, ‘২০০৯ সালে আমি নির্বাচন করেছি, ইসিতে। আমাদের মধ্যে কখনোই টাকার বিষয়টি আসেনি। আমি খুবই দুঃখিত যে ইউটিউব ব্যবসায়ীরা কয়টা টাকা কামাতে আমাদের সম্মান শেষ করে দিচ্ছেন। আর ইউটিউবারদের মতো ব্যবসায়ীদের কথা নিপুণ কেন বিশ্বাস করবে?’

৩১ জানুয়ারি বিএফডিসিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জায়েদ খানকে সঙ্গে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মুনমুন।

সেখানে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে মুনমুন জানান, তার মতো সিনিয়রকে অসম্মানিত করেছেন নিপুণ।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মুনমুন বলেন, ‘আমি যখন এফডিসিতে ঢুকি তখন শাহানূরের সঙ্গে দেখা হয়। সে আমার কাছে ভোট চায়। এরপর কথা হয় জেসমিনের সঙ্গেও। তাদের দুজনের সঙ্গেই আমার খুব ভালো সম্পর্ক। আমি তাদের বলি, ভোটের বিষয়ে চিন্তা করতে হবে না। এরপর দেখা হয় জায়েদের সঙ্গে। সে এগিয়ে এসে আমার হাতটি ধরে। আর তাদের প্যানেলের পোস্টারটি ধরিয়ে দেয়। আপনারা দেখবেন, তার সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমি অপর হাতে ব্যাগ খুলে কিছু একটা রেখেছিলাম। এটা ছিল আমার কালো মাস্ক, টাকা নয়।’

এসময় তিনি তার হাতে রাখা সার্জিক্যাল কালো মাস্ক সবাইকে দেখান।

 

কলমকথা/ সাথী