
জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২০১৯ সালে বেসরকারি চাকরিজীবী হারুন অর রশীদ অপুর সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। বিয়ের ঠিক এক বছর নয় মাসের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে এই জুটির। প্রেম, বিয়ে কিংবা বিচ্ছেদ নিয়ে সব সময় স্পষ্ট করে কথা বলেছেন অভিনেত্রী।
এতো গেলো পুরনো খবর। কিন্তু নতুন খবর হলো সম্প্রতি অভিনেত্রীকে নিয়ে ‘এবার স্বামী ছাড়া মা হওয়ার ঘোষণা- শবনম ফারিয়ার’ শিরোনামের সংবাদ প্রচারিত হয়েছে। আর এ কারণেই বেশ ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী।
আসল ঘটনা নাট্যনির্মাতা সাজ্জাদ সুমনের ‘গর্ভধারিণী’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছিলেন শবনম ফারিয়া। নাটকের গল্পে দেখা গিয়েছিলো, রাজীব-মিতুর সংসার ভালোই চলছিল। হঠাৎ এক অ্যাকসিডেন্টে রাজীবের বাঁ পা প্যারালাইজড হয়ে যায়। এ সময় তাদের অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। বেশ আগে কবীর নামে এক ব্যক্তি মিতুকে সারোগেট পদ্ধতিতে সন্তান নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। এই দুঃসময়ে কবীরের কথা মনে পড়ে তাদের। এরপর কবীরের প্রস্তাবে রাজি হয়। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এভাবে এগিয়ে যায় এই নাটকের গল্প।
এখানে মিতু চরিত্রে অভিনয় করেছিলো শবনম ফারিয়া আর রাজীব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ইরফান সাজ্জাদ। নাটকটির ২০২০ সালের ঈদের পঞ্চমদিন দীপ্ত টিভিতে সম্প্রচারিত হয়েছিলো। তবে ‘গর্ভধারিণী’তে শবনম ফারিয়ার চরিত্রটি খুব চ্যালেঞ্জিং ছিলো।
এতদিন পরে সেই নাটকের কাহিনী ধরে আবারো সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আর শিরোনামে অভিনেত্রীকে অনেকটা হেয় করেই করা হয়েছে। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ উগ্রে দিলেন শবনম ফারিয়া।
অভিনেত্রী ফেসবুকে লিখেন- আচ্ছা, নিউজ কি কেউ পড়ে নাকি শুধু শিরোনাম দেখেই নিচে অযথা একটা বাজে কমেন্ট দিয়ে আসে? এসব কবে শেষ হবে। এতো করোনা, এতো সমস্যা দেশে , কিন্তু এসব অদ্ভুত নিউজ করা সাংবাদিক এবং পোর্টাল গুলোর হেদায়েত কবে হবে জানি না।
এরপরেই তার কমেন্ট বক্স নেতিবাচক কমেন্টে ভরে যায়। ভক্তরা এমন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশকে ঘৃণা চোখেই দেখছেন। অন্তত তাদের কমেন্ট দেখে এমনটাই বোঝা যায়।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।