পিতামাতা হিসাবে আমাদের শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রত্যেকদিন পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো উচিৎ। যদিও আমরা আমাদের শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময় মনোযোগ দেই না।

কারণ শিশুরা যা খায় তা স্মৃতিশক্তি সহ তাদের শারীরিক সুস্থতার উপর প্রভাব ফেলে। তবে যে সব খাবার সঠিক সময়ে আপনার সন্তানের জন্য স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করবে এবং মনোযোগ বাড়াতে দুর্দান্ত হবে।

শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সেরা খাবার অন্বেষণে আপনি আপনার শিশুর জন্য সঠিক মনোযোগি করে তুলতে পারেন।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায় যে খাবার

১. গোটা শস্য: বার্লির মতো গোটা শস্যতে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকে, যেমন ভিটামিন বি, আয়রন এবং জিঙ্কের দুর্দান্ত উৎস্য।, এগুলো খাওয়ার ফলে শিশুদের স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগের বিকাশ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

২. চর্বি যুক্ত মাছ: চর্বি যুক্ত মাছ যেমন শিং, মাগুর, টাকি, পাঙাশ, চিতল, ভেটকি ও ইলিশ মাছ ইত্যাদি। এসব মাছ খাওয়ার ফলে শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে। ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শিশুদের স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং শারীরিক ও মানসিক উন্নত করতে সহায়তা করে।

৩. বাদাম এবং বীজ: বাদাম এবং বীজ যেমন আখরোট, বাদাম, এবং ফ্ল্যাক্সসিড ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি বড় উৎস। এগুলি ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং আয়রনের মতো খনিজগুলিতেও সমৃদ্ধ, যা স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগ বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ব্লুবেরি: ব্লুবেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা শিশুদের স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করতে বেশ উপকারী।

৫. গাঢ় পাতাযুক্ত সবুজ শাক: গাঢ় শাক যেমন পালং শাক, কালে এবং সুইস চার্ড হল আয়রন, ফোলেট এবং ভিটামিন এ, সি, এবং কে-এর চমৎকার উৎস। এই পুষ্টিগুলি শিশুদের স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগের জন্য বেশ কার্যকরি।

৬. ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকোলেটে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এর উপাদান ও ক্যাফিনসহ প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক উপাদান যুক্ত থাকে। এসব উপাদান শিশুদের মনোযোগ বাড়ায় এবং এন্ডোরফিনের উৎপাদনকেও প্রাণবন্ত করে। যা কিনা মস্তিক ভালো রাখতে সাহায্য করে। সে জন্য যেনতেন চকোলেটে না দিয়ে আপনার শিশুকে ডার্ক চকোলেট দিতে পারেন।

৭. ওটস: ওটসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এটি পেটের বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দূর করে। ওটস শরীরের থাকা উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে । সে জন্য শিশুর শারীরিক উন্নতি বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ওটস খাওয়ানো প্রয়োজন।

ওটস শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ওটসের তৈরি কুকিজ, কেক, বিস্কুট ওটস যুক্ত বিভিন্ন ধরণের খাবার খাওয়াতে পারেন।