মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ যশোরের মণিরামপুরে মোঃ মকসেদ আলী(৫০) ও তার ছোট ভাই মোঃ শহীদুল ইসলাম (৪৫) এর উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার শিকার হওয়া মকসেদ আলী মণিরামপুর উপজেলার ১নং রহিতা ইউনিয়নের কোদলাপাড়া ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির ত্যাগী নেতা বলে জানা যায়।হামলাকারি হাবিবুর, মামুন, আলমগীর, বছির সহ কয়েকজন স্থানীয় বিএনপির রাজনৈতিক দলে গত ৫ই আগস্টের পর অনুপ্রবেশকারী বলে অভিযোগ করেছেন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির আরেক নেতা মোঃ মাহাবুবুর রহমান (দর্জি) সহ রহিতা ইউনিয়নের একাধিক স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোঃ মকসেদ আলীর স্ত্রী শাহীনা খাতুন মণিরামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে হামলাকারিদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ১নং রহিতা ইউনিয়ন বিএনপি।
মণিরামপুর থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ০৬/০৪/২০২৫ তারিখ রবিবার রাত অনুমান ৯টার দিকে বিএনপি নেতা মোঃ মকছেদ আলী মণিরামপুর থানাধীন কোদলাপাড়া গ্রামস্থ বছির এর চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলো।
হঠাৎ কোদলাপাড়া গ্রামের মোঃ সামসুল হুদার ছেলে মোঃ হাবিবুর রহমান (৩০) হাতেম আলীর ছেলে মামুন হোসেন (২৮) নুর ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৫) মোঃ রহুল আমিনের ছেলে বছির (৪৫) সহ কয়েকজন লোহার রড ও লাঠি নিয়ে চায়ের দোকানের সামনে এসে পূর্ব বিরোধের কারনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এলোপাতাড়ি মারধর করে লোক সমাগম বুঝতে পেরে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, শহীদুলের তেমন সমস্যা না হলেও মকসেদের মাথার ক্ষত খুবই গুরুতর।সিটিস্ক্যান করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে দিয়েছি।
স্থানীয় বেপার হওয়াতে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে এ বেপারে ব্যাবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়েছেন মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ গাজী।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।