মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের চাদপুর মাঝিয়ালীর নায়েব নজরুল ইসলামের কণ্যা ও সাবেক ছাত্রলীগ ট্যাগধারী প্রতারক সানজিদা জেরিনের গোপন রহস্য ১ম পর্বে ফাঁস হওয়াতে ইতিমধ্যে মণিরামপুরসহ দেশব্যাপি একটি আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কিভাবে স্বেচ্চাসেবীর আড়ালে কুট-কলা-কৌশলী মতাদর্শে একজন সুনিপুণ প্রতারণার বিষয়ে দক্ষ প্রতারক মুখোশধারী জেরিন রাজত্ব করেছে এটাই ভাবিয়ে তুলেছে বিভিন্ন স্বেচ্চাসেবী সংগঠনকে।

অপরদিকে জেরিনের অপকর্ম গুলো বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মাধ্যমে সোস্যাল মিডিয়ায় উঠে আসলে প্রতারক জেরিন তার পরিচিত অপরিচিত সব ফেইসবুক আইডির ম্যাসেনজারে জানান দিচ্ছে যে,তার বিরুদ্ধে ভুলভাল নিউজ করেছে সাংবাদিকরা। অপরদিকে ভুক্তভোগীদের টাকা দ্রুত দেওয়ার কাল্পনিক আশ্বাস দিয়ে মুখ খুলতে নিষেধ করে চলেছে অর্থ আত্মস্বাত কারী সানজিদা জেরিন।এমনকি যে মুখ খুলবে তার খবর আছে এমন সব হুমকি দিয়ে চলেছে নারীর আড়ালে মুখোশধারী ভয়ংকর নারী সানজিদা জেরিন।

প্রতারক সানজিদা জেরিনের গোমর ফাঁস হয়ে যাওয়াতে বিভিন্ন মাধ্যমে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করাসহ অর্থনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে থামানোর পায়তারা করছে। এমনকি সৈরাচারের সব পলাতক নেতাকর্মীদের সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করে গায়েবী সব কমেন্টস, পোস্ট শেয়ার করছে ফেইসবুকে।

এরই মধ্য সানজিদা জেরিনের ২য় পর্বে উঠে এসেছে মণিরামপুর উপজেলা থেকে ঢাকা পর্যন্ত আ”লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সাথে ঘনিষ্ঠতার তথ্য।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নেতাদের সাথে সেলফী, চা কফির আড্ডা, দেশ-বিদেশের ভ্রমনের ফটো, এমন কি কিছু কিছু নেতার সাথে বিশেষ মূহুর্তের ছবিও চলে এসেছে এ তথ্য অনুসন্ধানে।

ছাত্রলীগ, যুবলীগ সহ আ”লীগের সকল নেতাদের কাছে হঠাৎ করে জেরিন হয়ে ওঠে সকলের কাঙ্ক্ষিত কেউ!বিশেষ করে যশোর -৫ মণিরামপুর আসনে সতন্ত্র প্রার্থী স্বপন ভট্টাচার্য প্রথম বার এমপি হিসাবে দায়িত্ব নিলে জেরিন ভর করে স্বপনের ঘাড়ে। নিজে মুসলিম ধর্মের হলেও স্বপন ভট্টাচার্য চাঁদ তার দাদু বলে পরিচয় দিতে শুরু করে।যে কোন প্রগ্রামে হলেই স্বপনের সাথে হাজির সানজিদা জেরিন।যেমনটা কোন নেতার দেহরক্ষী হিসাবে থাকে তেমনই ছিলো জেরিন।

উপজেলা আ”লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মাহমুদুল হাসান, যুবলীগের উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু, যুবলীগের সন্দীপ ঘোষ, স্বপন ভট্টাচার্য স্ত্রী তন্দ্রা ভট্টাচার্য, স্বপন ভট্টাচার্য ছেলে সুপ্রিয় ভট্টাচার্য শুভ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ছাত্রলীগ নেতা হাদিউজ্জামান ফয়সাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন রহমান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শাখার সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার সহ বিভিন্ন হাই ভোল্টেজ নেতাদের সাথে ছিলো সানজিদা জেরিনের অবাদ বিচরণ।

দেশের পট পরি বর্তনের আগ মুহূর্তে মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শেখ মণিরুজ্জামানের সাথেও বিশেষ মুহূর্তও ক্যামরাবন্দী হয়েছে সানজিদা জেরিন। অনুসন্ধান বলছে,আ”লীগের এসমস্ত নেতাদের সাথে হঠাৎ সম্পর্কে জড়িয়ে নারীর কোমলতাকে পুজি করে সোস্যাল মিডিয়ায় জায়গা করে নিতো ছদ্মবেশি জেরিন।তথ্যের সাথে মিল রেখে স্থানীয় কয়েকজন নেতারাও বলেছেন একই কথা!

জানিয়েছেন ছাত্রলীগের ট্যাগ লাগিয়ে স্বাক্ষাত করেই সেলফি উঠিয়ে সম্পর্কে ঘভীরতা দেখিয়েছে জেরিন।ঘনিষ্ঠতার সুবাধে আস্তে আস্তে চলে গেছে রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের কাতারে।আর এ সম্পর্ককে পুজি করে সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন খাত থেকে একাই লুটে নিয়েছে জন সাধারনের সেবা।কিন্তু বাস্তবে জেরিন তেমন কোন ভূমিকা রাখেনি রাজনৈতিক অঙ্গনে।

নিজের মেয়েকে ছোট থেকেই অর্থ যোগান ও স্বাধীনভাবে চলাচলের পিছনে একমাত্র কারন তার পিতা ঝিকরগাছায় কর্মরত ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব মোঃ নজরুল ইসলাম।নিজের সম্পদের পাশাপাশি সৈরাচারী আমলে অঢেল টাকা কামানো নজরুল গড়েছেন অর্থ সম্পদের পাহাড়।একটি বিশ্বস্থ মাধ্যমকে নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন যত প্রমান থাকে থাকুক আমার মেয়ের কিছুই করার ক্ষমতা নাই সাংবাদিকদের।