নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল জেলাধীন সদর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কালের সাক্ষী তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত দ্বীনি প্রচারকারী আলেম বিখ্যাত ফুরফুরা শরীফের বড় পীর হযরত আবু বকর (র) এর সক্রিয় প্রচেষ্টায় আনুমানিক আজ থেকে প্রায় দুই শতাধিক বছর পূর্বে ৪নং আউড়িয়া ইউনিয়নের বেনাপোল যশোর ঢাকা রোডের পাশে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। যা বাংলা ও আরবি সহ ইসলামী শিক্ষা প্রসারের জন্য প্রথমে মক্তব ও পরবর্তীতে মাদ্রাসা স্কুল নামে পরিচিত পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির নাম তৎকালীন সময়ে বড় পীরের মাদ্রাসা নামে পরিচালিত হতো। অর্থায়ন ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ ফুরফুরা শরীফ থেকে সরাসরি পরিচালিত হতো,যা ব্রিটিশ সরকার মর্যাদা ও সম্মানের সহিত যথেষ্ট সহযোগিতা করতেন। পরবর্তীতে দেশ বিভক্তের ফলে ফুরফুরা শরীফ ভারতের অংশে অবস্থান করে বিধায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৯৬৬ সালে এলাকাবাসী মাদ্রাসা স্কুলকে প্রয়াত বড় পীরের নাম অনুসারে আবু বকর সিদ্দিকী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামকরণ করেন। যা এখনো পর্যন্ত মাদ্রাসা স্কুল ও মাদ্রাসার হাট মাদ্রাসা বাসস্ট্যান্ড ইত্যাদি নাম জনশ্রুতি আছে। প্রায় ২০০ বছরের ধরে এই জনপদে গড়ে উঠা আবু বকর সিদ্দিকী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংক্ষিপ্ত রূপ এ বি এস মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ইন নম্বর ১১৮৪৬৮) নড়াইলে শহরতলীর বেনাপোল যশোর ঢাকা রোডের পাশে কালের সাক্ষী বহন করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অবিভক্ত বাংলার তথা ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত ফুরফুরা শরীফের বড় পীরের স্মৃতি বিজড়িত প্রায় দুই শতাধিক বছরের প্রাচীন মাদ্রাসা স্কুলটি এখন জাতীয়করণ করা- সময়ের দাবি বলে মনে করে এলাকাবাসী। সরকার বাহাদুর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে একাধারে প্রাচীনতম অন্যদিকে প্রখ্যাত ব্যক্তির নামের স্মৃতি ধরে রাখতে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত করবে বলে নড়াইলবাসী আশাবাদী।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।