‎‎এস এম তাজাম্মুল,মণিরামপুরঃ যশোরের মণিরামপুরে ২০১২ সালে স্টাম্পে একটি জমি বন্ধকী বাবদ চুক্তি হওয়া ১ লক্ষ টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল হাসান নামের দুই নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ এনে সোস্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালানো হচ্চে বলে পরিষ্কার স্বীকারোক্তি দিয়েছে উল্লেখিত ১ লক্ষ টাকার পাওনাদার মোঃ মোজাফফর হোসেন। 

‎দীর্ঘদিনের পাওনা টাকা ফেরত পেতে ব্যার্থ হয়ে ঐ ছাত্র নেতাদের স্বরনাপন্ন হলে তারা টাকা চাইতে যায়। 

‎কিন্তু  বিষয়টি মিথ্যা চাদাবাজীর অভিযোগ এনে ঘঠনার সত্যতা আড়াল রেখে মণিরামপুর উপজেলার ১৪নং দূর্বাডাংগা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল হাসানের সম্মান হানি এবং ছাত্রদলের  পাহাড় সমান মর্যাদা ক্ষুন্ন করার জন্য একটি কুচক্রী মহল টাকা দিয়ে মিডিয়া ভাড়া করে এনে অনলাইনে উল্টো খবর প্রচার ও উপজেলা বিএনপি,সাধারন জনগন এমনকি জেলার নেতৃবৃন্দের কাছে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে  সোসাল মিডিয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে একাধিক ভেরিফায়েড ফেইসবুক আইডি হোল্ডার। 

‎এদিকে গত ২৪শে জুন মিথ্যা প্রচারকৃত উদ্দেশ্য প্রবন এ সংবাদ অনলাইনে প্রাচারকারী “মণিরামপুর নিউজ ও মণিরামপুর ২৪” নামক ফেইসবুক পেইজে এ সমস্ত গুজব সৃষ্টিকারী সংবাদে ইউনিয়ন হতে জেলা পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে সমালোচনার ঝড়। 

‎তবে এ বিষয়ের সত্যতা যাচায়ে মুঠোফোনে কথা হলে তীব্র নিন্দা ও প্রদিবাদ জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর মিথ্যা অপপ্রচার কারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে ইউনিয়ন ছাত্রনেতা মোঃ সবুজ হোসেন ও মোঃ নাজমুল হাসান। তারা আরো দাবী করে,সাবেক যুবলীগ নেতা স্বপন সরকার ও তার ভাই জীবন সরকার এবং ১৪ নং দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির যৌথ ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছে বলে দাবী করেছে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি কবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।

‎বিতর্কিত এ ঘঠনায় স্থানীয় প্রশাসন,উপজেলা বিএনপি, থানা ছাত্রদল এবং জেলা বিএনপি ও জেলা ছাত্রদলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ষড়যন্ত্রের সাথে যে বা যারা জড়িত তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সুনাম রক্ষার দাবী জানিয়েছে সচেতন মহল ও বিভিন্ন ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

‎এ বিষয়ে যশের জেলা ছাত্রদলের অন্যতম নেতা কামরুজ্জামান বাপ্পি সাংবাদিকদের জানান, আমিও এমন একটি অভিযোগ পেয়েছিলাম। খবর নিয়ে বুঝতে পেরেছি দুই ছাত্রনেতা এক ভুক্তভোগীর সহযোগিতায় এগিয়ে গেলেও একটি মহল সেটাকে চাঁদাবাজির অপপ্রচার চালাচ্ছে। আপনারা সাংবাদিক সত্যটা প্রকাশ করবেন বলে আশা করি।