
এস এম তাজাম্মুল,মণিরামপুর: কনে কনে শীতে কাঁপছে গোটা দেশ। শীতের তীব্রতা এতটাই বেশি যে ভোরবেলা ও সন্ধ্যার পরপরই মানুষের জন-জীবনে অস্বাভাবিক আকার ধারণ করেছে। শীতের তীব্রতা হতে রেহাই পেতে যে যার সামর্থ্য মতো একটু উষ্ণতার খোঁজে বিভিন্ন গরম কাপড়চোপড় পরিধান করছে। বাসায় লেপতোশক,কম্বল আর বাইরে শীত হতে রক্ষা করতে জ্যাকেট,কোর্ট,উলের কাপড়সহ নানা রকম রং বেরংয়ের পোশাক পরিধান করে নিজস্ব দৈনন্দিন কাজকর্ম করে চলেছে প্রত্যেকে। তবে এ শীতে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে দুঃস্থ্য,অসহায়,ছিন্নমূল,নিম্ন-আয়ের পর্যায়ের মানুষদের।
সারাদেশের ন্যায় যশোরের মণিরামপুরেও হাড় কাঁপানো শীতের তীব্রতায় অস্বচ্ছল,ছিন্নমূল, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের শীতের কষ্ট লাঘবের দায়িত্ব নিয়ে মণিরামপুর পৌরশহরের কয়েকটি মোড়ে অবস্থান নেওয়া এবং বিভিন্ন শ্রেনীর নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার ৩০শে ডিসেম্বর মধ্যরাতের এ মানবিক কাজের জন্য ইতিমধ্যে সোস্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো আলোচনায় উঠে এসেছেন মণিরামপুর উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন।
তথ্যমতে, কয়েক বছরের রেকর্ডকে চলতি এ শীতের তাপমাত্রা পেছনে ফেলেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, চলমান শীতের রেকর্ডকৃত ১১° সেলসিয়াস তাপমাত্রা আগামি ৪,৫ ই জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এমনকি তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে। এবারের শীতে উত্তর-পশ্বিম অঞ্চলের সাথে দক্ষিণ অঞ্চলের যশোর,সাতক্ষীরা সহ কয়েকটি জেলায় দিন গেলেই তাপমাত্রা কমে আরো বেশি শীত অনুভূত হতে পারে।
মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের এমন মানবিক কাজ বিশেষ করে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।