মণিরামপুর প্রতিনিধিঃ মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও দক্ষিনাঞ্চলের পাঠকপ্রিয় দৈনিক যশোর বার্তার মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এস এম তাজাম্মুলের উপর প্রকাশ্যে ক্ষিপ্ত হয়ে বাকবিতন্ডা এবং দ্রুত মোটরসাইকেল যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফঠক দিয়ে চলে যাওয়ার সময়ে আঙ্গুল ঝাকিয়ে “তোর বিষয়টা মাথায় রাখলাম,তোরে দেখে নিবো” বলে হুমকি দিয়েছে সন্ত্রাসী মীর মিকাইল হোসেন । বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় উপজেলার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দূর্নীতিবাজ আমানতের খেয়ানত কারী প্রধান শিক্ষক আমানত আলী ও তার শিক্ষিকা স্ত্রী ঐ সন্ত্রাসী মিকাইলকে দিয়ে এ হুমকি প্রদান করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন হুমকির স্বীকার হওয়া সাংবাদিক এস এম তাজাম্মুল। হুমকি দেওয়া যুবলীগ সন্ত্রাসী মীর মিকাইল হোসেন উপজেলার জালালপুর গ্রামের মীর কাসেমের ছেলে ও খেদাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম জিন্নাহর একান্ত সহযোগী বলে চলতি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কয়েকজন ব্যাক্তি।

‎মঙ্গলবার (২৮শে জুলাই) বিকালে গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত এক ভিডিও তথ্য মোতাবেক, মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের ফটকে দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক আমানত আলীর ১ম পক্ষের স্ত্রী,ঐ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা সন্ত্রাসী মিকাইলের পাশে দাড়িয়ে সাংবাদিক এস এম তাজাম্মুল’কে দেখিয়ে ব্যাঙ্গ করে বলতে থাকে যে,এই ছেলেটা ভিডিও করে এনেছিলো,এর জন্যই আজ এতকিছু! সে মুহূর্তে কথা বলা মাত্রই যুবলীগের ক্যাডার মীর মিকাইল ঐ সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়,বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ঐ শিক্ষিকার পাশি দাড়িয়ে বলে তোর বিষয়টা মাথায় রাখলাম। পরপরই আরেকজন এসে মিকাইলকে টেনে নিয়ে যায়। সে সময় আবারো হুমকি দেই সন্ত্রাসী মিকাইল যে, তোকে আমি দেখে নিবো। এ কথা বলে তারা একত্রে প্রস্থান করে। সন্ত্রাসী মিকাইল ৭নং খেদাপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা আব্দুল আলীম জিন্নাহর একান্ত সহযোগী হিসেবে তার সাথেই থাকে। তথ্য আছে, বিগত সরকারের আমলে ইউনিয়ন ব্যাপী চাঁদাবাজি,দখলদারি,সেটেলমেন্ট,হামলা-হুমকি সহ সকল সন্ত্রাসী কার্যক্রমে থাকতো এই মিকাইল। এ সময় উপস্থিত প্রধান শিক্ষক আমানত আলী সহ অন্যান্য ব্যাক্তিরা তাজাম্মুল ও নয়ন রায়কে (সাংবাদিক) ম্যানেজ করার চেষ্টা করে,তবে নীতি নৈতিকতার স্বার্থে ঐ দুই সাংবাদিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের দিকে চলে যান।

‎এ বিষয়ে সাংবাদিক এস এম তাজাম্মুল দাবী করেন যে, সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে এমন হুমকি বড়ই দুঃখজনক। লজ্জার বিষয় হলো একজন শিক্ষক তিনি সন্ত্রাসী ভাড়া করে এনে সাংবাদিকদের উপর আগ্রাসন দিলো!

‎পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা হরন,গণমাধ্যমের উপর সন্ত্রাসীর আগ্রাসন উল্লেখ করে ঘঠনার তীব্র নিন্দা ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানিয়েছে মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
‎উল্লেখ্য, সম্প্রতি উপজেলার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানত আলীর বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সংবাদ এস এম তাজাম্মুল সহ মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের কয়েকজন সাংবাদিক তার সংবাদ প্রকাশ করায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানত আলী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নোটিশ করিলে তার শুনানিতে মঙ্গলবার দুপুরে সবাই হাজির হয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
‎এ বিষয়ে পরবর্তীতে আমানতের খেয়ানতকারী প্রধান শিক্ষক আমানত আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঐ ৩ জনকে আমি চিনিনা। তাদের সাথে আমার কোন কথা হয়নি।